বিজেপি’র শরিক শিবসেনার তাণ্ডবে শহর ছাড়লেন দুই চিকিৎসক। তার মধ্যে এক মহিলা চিকিৎসকও রয়েছেন। থানে জেলায় দু’জনেই আক্রান্ত হয়েছিলেন মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের অনুগামী কাউন্সিলরের হাতে।
কল্যাণ ডম্বিভিলি কর্পোরেশন পরিচালিত শাস্ত্রীনগর হাসপাতালের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ছড়ায় গোটা রাজ্যে। তার জেরে পুলিশ বাধ্য হয়েছে ওই কাউন্সিলর রমেশ মহত্রেকে গ্রেপ্তার করতে।
বুধবার মহারাষ্ট্রের পুলিশ আবার মহত্রের পক্ষ নিয়ে আদালতে শারীরিক হাজিরার বদলে ভিডিও কনফারেন্সে শুনানির আবেদন জানিয়েছিল। বিচারক সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।
কর্পোরেশনের ওই হাসপাতালে এক নবজাতককে নিয়ে গিয়েছিল পরিবার। দুই চিকিৎসক তার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রেফার করেন। তা থেকেই বচসার শুরু।
চিকিৎসক বৈভব সালুঙ্খে তাঁর অভিযোগে জানিয়েছেন যে ঘটনার মাঝে দলবল নিয়ে হাজির হন মহত্রে। সহকর্মী মহিলা চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মারধর করেন কাউন্সিলর।
ঘটনার ছবি এবং ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে ক্ষোভ তীব্র হয়। ওই পৌরসভা পরিচালিত হাসপতালে আউটডোরে কাজ না করার ডাক দেয় চিকিৎসক সংগঠন আইএমএ। পুলিশ মহত্রেকে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হয়।
এদিকে আক্রান্ত দুই চিকিৎসকই ইস্তফা দিয়ে শহর ছেড়েছেন। তাঁদের একজন সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, ‘‘ভীষণ ভয়ের পরিবেশ রয়েছে। এরা সাংঘাতিক। ওখানে কাজ করা অসম্ভব।’’
Kalyan Hospital Assault
আক্রান্ত হাসপাতালেই, ভয়ে কাজ ছাড়লেন কল্যাণের দুই চিকিৎসকই
কল্যাণের হাসপাতালে কাউন্সিলরের হামলা।
×
Comments :0