'আনম্যাপড' ও ' লজিক্যাল ডিসক্রেপান্সি' বলতে ঠিক কি বোঝানো হচ্ছে তা জনগণের কাছে স্পষ্ট করুক নির্বাচন কমিশন। বহু মানুষের কাছে এই বিষয়টি স্পষ্ট নয়। জনসমাজে ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি। বহু মানুষের ভোটদানের অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
দ্রুত বৈঠকের সময় চেয়ে এই দাবি তুলে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সিইও-কে চিঠি পাঠালো সিপিআই(এম)। তোলা হয়েছে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্র, বিশেষ করে, ফলতা বিধানসভা ক্ষেত্রে ভোটার তালিকার স্পেশাল অডিটের দাবি করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে যে বারবার বলা সত্ত্বেও এমন একাধিক কেন্দ্রে এসআইআর’র খসড়া তালিকায় এমন বহু নাম রয়েছে যা থাকার কারণ নেই। ফলে ভোট জালিয়াতির সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।
সিপিআই(এম) ফের বলেছে যে ভোটার তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে চুক্তি নিযুক্ত ডেটা এন্ট্রি অপারেটররা আসলে আইপ্যাকের কর্মী। এই আইপ্যাক তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে ভোট পরিচালনা করে। এআরও এবং এইআরও দপ্তরে ডেটা এন্ট্রি বিধি এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। তথ্য তোলার জায়গা বা ‘ডেটা রুম’-এ রাজ্যের সরকারে আসীন রাজনৈতিক দলের উপস্থিতিতে ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা থাকতে পারে না।
সিপিআই(এম)’র দাবি, ইআরও দপ্তরে ডেটা অপারেটর হিসেবে ঠিকা কর্মী পদে নিযুক্তদের নামের তালিকা দিতে হবে সিইও দপ্তরকে।
সিপিআই(এম)’র চিঠিতে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এসআইআর’র শুনানি পর্বে রাজনৈতিক দলগুলির এজেন্ট বা বিএলএ-দের বাদ রাখায়। কমিশনি রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ে এই প্রক্রিয়া চালানো হবে বলে ঘোষণা হয়েছিল। শুনানি পর্বে বিএলএ-দের যুক্ত না করা কমিশনের সেই অবস্থানের পরিপন্থী।
সিপিআই(এম) বলেছে যে অনেক জেলাতেই নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয় এমন অপ্রাতিষ্ঠানিক এবং মৌখিক নির্দেশও দেওয়া হচ্ছে। তা দিয়ে, বিশেষ করে মতুয়া, পরিযায়ী শ্রমিক এবং গরিব অংশের মানুষের কাছে এমন নথিপত্র চাওয়া হচ্ছে যাতে তাঁরা সমস্যায় পড়ছেন। ছাড় দেওয়ার কথা বলা হলেও ডাকা হচ্ছে প্রবীণ, অসুস্থদের।
চিঠিতে বলা হয়েছে যে সমস্যা জানানোর জন্য বৈঠক ডাকার আবেদন জানানো হলেও তা হয়নি। কমিশন সমস্যার কথা শুনবে না কেন, তোলা হয়েছে সে প্রশ্নও। সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর পক্ষে চিঠি পাঠিয়েছেন শমীক লাহিড়ী।
CPI-M SIR CEO
‘আনম্যাপড’, ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি, আইপ্যাক: বৈঠকের দাবিতে সিইও-কে চিঠি সিপিআই(এম)’র
×
Comments :0