Debra Rally

বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ডেবরা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা সিপিআই(এম)'র

জেলা

ভোটাধিকার সহ সংবিধান বাঁচাও-দেশ বাঁচাও স্লোগানে ডেবরায় মিছিল সিপিআই(এম)’র।

বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ডেবরা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল সহ প্রতিবাদ সভা করলো সিপিআই(এম)। মহিলাদের অংশগ্রহণ ছিলো নজরকাড়া। রুখে দাও বই-র উপর বুলডোজারের আক্রমন, রক্ষা করো ভোটাধিকার সহ সংবিধান বাঁচাও-দেশ বাঁচাও, আমার ভোটাধিকার ফিরিয়ে দাও দাবীতে এই কর্মসূচী হয়। ভোট চোর নির্বাচন কমিশন জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ সহ গ্রেপ্তার এবং এসআইআর স্থগিতের দাবিতে এবং ডবল ইঞ্জিন সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালন না করাকে ধিক্কার জানানো হয় ওই কর্মসূচিতে ।
সমস্ত ন্যায্য ভোটারের নাম নথিবদ্ধ করা এবং জেলা ও রাজ্য জুড়ে বিজেপি সহ তার গেরুয়া বাহিনীর হামলা, লুঠ, পার্টি দপ্তরে আগুন জ্বালিয়ে তান্ডবের ঘটনায় আক্রান্তদের নামে  পুলিশের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে এবং গেরুয়া বাহিনীর তান্ডব রুখে দেওয়ার লড়াইতে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা ব্লকের বালিচক থেকে ডেবরা বাজার পর্যন্ত মিছিল শেষে বিক্ষোভ সভা হয়। এই ডেবরা বাজারেও বুক স্টলের উপর হামলা সহ জেলায় ১৮ টি স্থানের ঘটনা তুলে ধরে প্রতিবাদ সভা হয়।
বিক্ষোভ সভায় পার্টির জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য প্রানকৃষ্ণ মন্ডল বলেন, আজকে দিল্লীতে বিজেপি সরকার যে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটালো, বিদেশী ভোটার খোঁজার নাম করে ৬ রাজ্যে ৯.৮৬ কোটি ভোটারের মধ্যে মাত্র ১৬৪০ জন বিদেশী কে চিহ্নিত করেও  লক্ষ লক্ষ ভোটারের ভোটাধিকার কেড়ে নিলো এর বিরুদ্ধে আপোষহীন লড়াই দেশ জুড়ে চলছে। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার জালিয়াত নির্বাচন কমিশন কে রক্ষা করতে শাসক দল বিজেপিই তৎপর। এর বিরুদ্ধে  লড়াইতে তিনি সমস্ত গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ দেশপ্রেমিক মানুষকে সামিল হওয়ার আবেদন করেন।
বিক্ষোভ সভায় পার্টির জেলা কমিটির সদস্য সুমিত অধিকারী বলেন, লড়াইটা গণতন্ত্র রক্ষার। সংবিধান রক্ষার। ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষার। দেশের সম্পদ জলের দরে লুট করে নিচ্ছে ধান্ধার ধনকুবের কর্পোরেট কোম্পানি। বেকারি,মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষার দুরবস্থায় জনতা বিক্ষুব্ধ হচ্ছে। শ্রমিক কৃষক বিরোধী আইন করে ওই লুটেরাদের হাত শক্ত করছে সরকার। এই সরকার জনগণের কল্যাণে নিযুক্ত নয়। এটা ধনকুবেরের সরকার। প্রতিবাদ বাড়ছে। আর এই রাজ কায়েম করতে ভোট চুরি, ভোটার বাতিল সহ দমন পীড়ন কে হাতিয়ার করেছে মোদী অমিত শাহ'র জুটি। আসলে সরকার জনগণের ঐক্য ভাঙতে আর সবকিছু থেকে দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিতে বিভাজনের রাজনীতি এনেছে। আমাদের সাধারণ মানুষ,পরিশ্রম করে জীবন চালানো মানুষকে বিভ্রান্তির শিকার করে এই বিভাজনের ভাবাদর্শের অধীনে এনে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এর প্রতিকার করতে উদ্যোগ নিই।

Comments :0

Login to leave a comment