জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি এবং এসআইআর বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শেষ নয়, শুরু হয়েছে মাত্র। রবিবার দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানালো সিজেপি নেতৃত্ব। এদিন সিজেপির পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস। রাঙ্কা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনে মোদী অমিত শাহের কথায় কাজ করছে। জ্ঞানেশ কুমার বিজেপিকে ভোট জেতানোর জন্য কাজ করছে।’ তিনি বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদী ভারতের লজ্জা। উনি বিশ্বের সব থেকে শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী হতে চান। মোদী শাহ মানুষের এই লড়াইকে যুদ্ধে পরিনত করেছেন। জরুরি অবস্থার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে এই সরকার।’
তিনি বলেন, ‘গতকাল অনৈতিক ভাবে বিমান থেকে আমাদের তিনজনকে আটক করা হয়। অভিজিৎ-এর ঠাকুমার মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পর পরিবারের লোকদের সাথে যোগাযোগ করতে চায়। তাকে অনুমতি দেওয়া হয়নি।’
সৌরভ দাস বলেন, ‘দেশের জরুরি অবস্থার মতো পরিস্থিতি চলছে। মানুষ শান্তিপূর্ণ ভাবে বিক্ষোভ দেখাতে চেয়েছিলেন যন্তর মন্তরে। সরকার সেই কাজ করতে দেয়নি। সরকারের উচিত ছিল আলোচনায় বসার, সেই পথেও তারা যায়নি। উল্টে সরকার তার নিজের নাগরিকদের সাথে লড়াইয়ে নেমেছেন।’ তিনি অভিযোগ করেন, ‘আটক করার পর তাদের ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। আইনজীবীদের সাথেও যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি।’
১০ অক্টোবরের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে স্তব্ধ দিল্লি। বন্ধ মেট্রো, বাতিল করা হয়েছে একাধিক ট্রেন, বন্ধ দোকান, পরিবহন। সৌরভ দাস বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩০-৪০ হাজার পুলিশ দিল্লিতে আনা হয়েছে আন্দোলনকে দমাতে। কয়েক হাজার আটক করা হয়েছে।’
সৌরভের কথায়, ‘লকডাউনের মতো পরিস্থিতি তৈরি করে মানুষের মনে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিতৃষ্ণা তৈরি করতে চাইছে সরকার। লকডাউনের মতো সব বন্ধ রেখে তারা মানুষকে খেপিয়ে তুলতে চাইছে। কিন্তু ওরা ভুল ভাবছে।’
CJP
জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে লড়াই চলবে, জানিয়ে দিল সিজেপি
×
Comments :0