বৃহতমুম্বাই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (BMC) নির্বাচন ঘিরে তৈরি হলো বিতর্ক। বৃহস্পতিবার ভোট দেওয়ার পর মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার প্রধান রাজ থ্যাকারে অভিযোগ করেন যে, ভোটারদের আঙুলে দেওয়ার জন্য যে কালি ব্যবহার করা হচ্ছে, তা আসলে সাধারণ মার্কার পেন। তার দাবি, স্যানিটাইজার ব্যবহার করলে এই কালি খুব সহজেই উঠে যাচ্ছে। যার ফলে ছাপ্পা ভোট দেওয়ার আশঙ্কা থাকছে।
রাজ থ্যাকারের পাশাপাশি শিবসেনা (উদ্ধব থ্যাকারে) প্রধান উদ্ধব একই অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন যে, সকাল থেকেই তার কাছে ভোটারদের প্রচুর ফোন আসছে যারা আঙুলের কালি উঠে যাওয়ার অভিযোগ করছেন। এছাড়াও ভোটার তালিকায় অনেক বৈধ ভোটারের নাম নেই বলেও তিনি দাবি করেছেন।
এবার বিএমসি নির্বাচনে প্রথমবারের মতো PADU (Printing Auxiliary Display Unit) ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের দাবি, ইভিএমের কোন যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে গণনার ব্যাক-আপ হিসেবে এটি কাজ করবে। তবে রাজ থ্যাকারের অভিযোগ, এই ইউনিটের ব্যবহার নিয়ে কমিশন যথেষ্ট স্পষ্টতা দেয়নি। নির্বাচন কমিশন অবশ্য রাজ থ্যাকারের এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ২০১১ সাল থেকেই এই মার্কার পেন ব্যবহার করা হচ্ছে। একবার ভোট দেওয়ার পর কালি মুছে পুনরায় ভোট দেওয়া অসম্ভব। যদি কেউ কালি মুছে পুনরায় ভোট দেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজেপি নেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ বলেন, ‘আমার আঙুলেও মার্কার দিয়ে চিহ্ন দেওয়া হয়েছে। কই, এটা তো মুছছে না। নির্বাচন কমিশন চাইলে এর বদলে অয়েল পেইন্ট ব্যবহার করতে পারে।’
২০১৭ সালের পর এই প্রথম মুম্বাইতে পুরভোট হচ্ছে। ওবিসি সংরক্ষণ ও সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত জটিলতায় দীর্ঘদিন এই নির্বাচন স্থগিত ছিল। আগামী ১৬ জানুয়ারি এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
BMC Election
মু্ম্বাই পৌরসভা নির্বাচনে ব্যবহৃত কালি নিয়ে বিতর্ক
×
Comments :0