DYFI

বেকারদের কাজের দাবিতে দার্জিলিঙ জেলা শাসকের দপ্তর অভিযানে ডিওয়াইএফআই

জেলা

জাত—ধর্মের রাজনীতি বন্ধ করো, বেকারদের কাজের অধিকার নিশ্চিত করো’ কাজের অধিকারের দাবিতে আন্দোলনের অঙ্গ হিসেবে দার্জিলিঙ জেলা শাসকের কাছে যুবদের ডেপুটেশন কর্মসূচি হবে। সোমবার ডিওয়াইএফআই দার্জিলিঙ জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে কর্মসূচির কথা জানানো হয়েছে। আগামী ২১জানুয়ারি অর্থাৎ বুধবার দুপুর ১২টায় শিলিগুড়ি এয়ারভিউ মোড় থেকে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদে জেলা শাসকের দপ্তরের সামনে পর্যন্ত মিছিল করে পরবর্তীতে আট দফা দাবির ভিত্তিতে ডেপুটেশন দেওয়া হবে। চাকরির দাবিতে জিটিএ এবং দার্জিলিঙ জেলায় সমস্ত সরকারি অফিসে শূন্যপদ অবিলম্বে পূরন করা, জাত ও ধর্মের নামে রাজনীতি বন্ধ করা, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারি দপ্তরগুলোতে দ্রুততার সাথে যোগ্য শিক্ষিত যুবদের চাকরির ব্যবস্থা করা, বন্ধ চা বাগান খোলা ও চা বাগানের জমি কর্পোরেটদের হাতে বিক্রি করা চলবে না সহ নানা দাবিতে এই ডেপুটেশন কর্মসূচি হবে। ইতোমধ্যেই জেলা জুড়ে প্রচারাভিযান শুরু হয়ে গেছে।
জেলা যুব সম্পাদক সাগর শর্মা এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, "একমাস আগেই সংগঠনের পক্ষ থেকে জেলা শাসককে চিঠি দেওয়া হয়েছে। থানায় জানানো হয়েছে। গত ২০২৫ আগস্ট মাসে জিটিএকে আরটিআই (রাইট টু ইনফরমেশন) করে জানতে চাওয়া হয়েছিলো জিটিএর অধীনে স্থায়ী কত পদ রয়েছে। তার উত্তরে জানা গেছে মোট ১০,৫৫১টি পদ রয়েছে। মোট পদের ৫০শতাংশ অর্থাৎ ৫,১৯৭লোক নিয়োগ করে কাজ করানো হচ্ছে। এই একই ছবি রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের একাধিক দপ্তরগুলিতে ধরা পড়েছে। 
তিনি বলেন, "গত ১৫বছরে রাজ্যের সরকার কোনও শিল্প আনতে পারেনি। কোনও বিনিয়োগ নেই। সরকারি চাকরি ক্ষেত্রে স্থায়ী নিয়োগ বন্ধ। শিক্ষাক্ষেত্রে চরম দুর্নীতি। সরকারি উদাসীনতায় আট হাজারের বেশি স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সরকারের উঁচু থেকে নীচুতলার প্রত্যেকে তোলাবাজির সাথে যুক্ত। শিলিগুড়িতে আইটি পার্কের জমিতে শিল্প না করে মুখ্যমন্ত্রী মন্দিরের শিলান্যাস করেছেন। শিল্প হলে কর্মসংস্থার সম্ভাবনা থাকতো। মেডিক্যাল কলেজে একের পর এক দুর্নীতি হচ্ছে। দালালচক্র সক্রিয়। প্রতিশ্রুতি ছিলো চাকরি, কর্মসংস্থান, ডবল ইঞ্জিনের সরকার হলে শিলিগুড়ির উন্নয়ন হবে। সমস্ত প্রতিশ্রুতি বিশবাঁও জলে পড়েছে। রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা। গরীব মানুষদের পুর্নবাসনের ব্যবস্থা না করেই উচ্ছেদ করা হচ্ছে। একের পর এক চা বাগান বন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। রাজ্যের মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রতিদিন পরিয়ায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বাড়ছে। রাজ্যের সরকারও কেন্দ্র সরকারের দেখানো পথেই হাটছে। দুই সরকারই ভাঁওতা দিচ্ছে।"

Comments :0

Login to leave a comment