কালকের মধ্যে জানাতে হবে দলের নাম এবং প্রতীকের তিনটি করে বিকল্প। তৃণমূলের দুই অংশকেই এই নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেইসঙ্গে দলের নাম এবং প্রতীক দুয়েরই ব্যবহার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জির অনুগামী অংশ এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত ব্যানার্জির অংশের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে বৈঠকের পরে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
আগামীকাল, ১৮ সেপ্টেম্বর, বেলা ১১ টার মধ্যে বিকল্প হিসেবে দলের তিনটি নাম এবং তিনটি প্রতীক জমা দিতে বলেছে। শুক্রবারই নির্বাচন কমিশন দুই অংশকে আলাদা আলাদা নাম এবং প্রতীক বেছে দেবে।
সামনেই পশ্চিমবঙ্গের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। দুই অংশই আলাদা আলাদা করে প্রার্থীপদে নাম জমা দিয়েছে। ফলে কে তৃণমূলের প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে তা নির্ধারণ করা জরুরি ছিল। কমিশনের কাছে দুই অংশই দাবি জানিয়েছিল। তবে দুপক্ষেরই দাবি খারিজ করেছে কমিশন।
সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নে সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, তৃণমূলের বিভিন্ন অংশের কথা জানা যাচ্ছে। কেউ কালিঘাট পন্থী, কেউ নবান্ন পন্থী, কেউ দিল্লি পন্থী। কিন্তু ঘটনা হলো বিরোধীদলের ভূমিকায় তৃণমূলের কেউ নেই। আরএসএস বরাবর তৃণমূলকে সহায়তা দিয়ে গিয়েছে। তৃণমূল বিজেপিকে সাবালক হতে সাহায্য করেছে। আরএসএসেরই নির্দেশে বিরোধী দলের জায়গা থেকে সরে গিয়েছে তৃণমূল।
TMC Symbol EC
তৃণমূলের নাম, প্রতীক দুই-ই ‘ফ্রিজ’ করল কমিশন
×
Comments :0