মুক্তধারা
ভ্রমণ
বাঙালির ইউরোপনামা
সুপ্রতিক বণিক
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৪র্থ বর্ষ
এলো শীতের রুক্ষ শুষ্ক দিন
প্রিয় ত্বকের যত্ন নিতে...
সামনে এগোতে লাগলাম কারণ আমাদের পরবর্তী বিমান ছাড়বে যে গেট থেকে সেটা অন্তত আরও ৮০০ মিটার থেকে ১ কিলোমিটার দূরে ।অপেক্ষা না করে এবং কোনোরকম দেরী হওয়ার ঝুঁকি না নিয়ে আমরা আগে আগে পৌঁছে গেলাম এবং বাকি অনেক যাত্রীর সাথে অপেক্ষা করছিলাম এই বিশালাকায় বিমানবন্দরের এক কোণায় আর অসখ্য নাম না জানা ভারতীয় বা অভারতীয় সহযাত্রীর সঙ্গে।
একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম ওদের সব কিছুতেই রং বলতে সাদা রং এর আধিক্য বেশি।তার খুব সাধারণ একটা কারণ হলো এতটাই উত্তাপ ওদেশে যে সাদা রং ই একমাত্র যা সূর্যের তেজ এর সাথে একটু হলেও যুদ্ধ করতে সাহায্য করে ।লক্ষ্যণীয় বিষয় যে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য আলাদা প্রার্থনা কক্ষ এবং সেটাও সম্পূর্ণ সাদা ।
শুরু হলো বোর্ডিং ,
অপেক্ষার অবসান হলো এবং ফাইনালি আমরা আবার চড়ে বসলাম আমাদের শেষ গন্তব্য ভিয়েনার পথে যাওয়ার আবার এক বিশালাকায় উড়োজাহাজে।
আমার উঠে পড়লাম তিনটে রো এর একেবারে ডানদিকের শেষ রো তে।অদ্ভুত ভাবে বোর্ডিং শেষ এর পর ও এই প্রথম আমি এত ফাঁকা ফ্লাইট দেখলাম,নিজেকে খানিকক্ষণ কি ভাগ্যবানটাই না মনে হল।তবে আনন্দ নেওয়ার শক্তির ও অভাব বোধ করছিলাম ,কারণ
তখন আমরা ঘুমে প্রায় কাদা।তিনটে আলাদা আলদা টাইম জোনে থাকতে চলেছি আমরা ততক্ষনে , সাথে আগের রাতের ঘুম না হওয়ার ক্লান্তি। তাই এবার আমরা দুজনেই ঘটিয়ে ফেললাম একটা অদ্ভুত ঘটনা ,আমি মাঝের রো-এর ফাঁকা থাকা একত্রিত তিনটে সিটকে বিছানা বানিয়ে ফাটিয়ে ঘুম দিলাম আর আমরা স্ত্রী আমাদের নির্দিষ্ট চিহ্নিত দুটো আর একটা শুন্য সিট্ কে একত্র করে ঘুম দিল বেঘোরে ।তাও আমার চেয়ে কম ই। মাঝে বিমান সেবিকা ভাত-মাংস- ব্রেড -ফল সব নিয়ে এসে জাগাবার চেষ্টা করেছিলেন -আমি জাগিনি ,কিন্তু আমার বুদ্ধিমতী পত্নী জেগে গরম গরম খাবারটি সাঁটিয়ে দিয়েছেন।
তো ভালো ঘুমের পর আমার কপালে জুটল ঠান্ডা খাবার কিন্তু একই ।
চলবে
Comments :0