মুখ্য নির্বাচন কমিশনারে একতরফা কাজের ধারা নিয়ে অভিযোগের বিচার করবে সুপ্রিম কোর্ট। এ সংক্রান্ত একটি জনস্বার্থ মামলা, মঙ্গলবার, গ্রহণ করেছে শীর্ষ আদালত। আগামী সপ্তাহে হবে শুনানি।
২৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, এই জনস্বার্থ মামলায় বলা হয়েছে যে আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মর্যাদা সমান। ঐকমত্যে গুরুত্ব দিয়ে কাজ চালাতে হবে। নয়তো সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলা রয়েছে সংশ্লিষ্ট আইনে।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-র সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে জানানো হয় যে ১০ মাসে ১৪ বার চিঠি দিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছেন বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার।
আপত্তির মধ্যে প্রবল ধিকৃত এসআইআর প্রক্রিয়া রয়েছে। আবার নাম তোলার ফর্মে কোনও আইনি সংশোধন ছাড়াই কমিশন কিভাবে বিধি বদলানোর বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলো, তা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন তাঁরা। পশ্চিমবঙ্গে চূড়ান্ত তালিকায় ওঠা ১৬ লক্ষ নাম বাদ দেওয়ার জন্য ট্রাইবুনালে কমিশন আবেদন জানালো কার সিদ্ধান্তে, সে প্রশ্নও তুলেছেন দুই কমিশনার।
বস্তুত কমিশনের কাজে বারবারই প্রশ্ন তুলে ‘ভোটচুরি’-র বিভিন্ন তথ্য পেশ করছেন বিরোধীরা। এসআইআর পর্বে বিভিন্ন সিদ্ধান্তের পেছনে আইনি বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। এসআইআর পর্বে বিএলও সহ আধিকারিকদের হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। কিন্তু কমিশন কাজের ধারা বদলায়নি।
মঙ্গলবার বিষয়টি উল্লেখ করা হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং দুই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও ভি মোহনার বেঞ্চে। সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদনটিতে উল্লিখিত বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হয়। কমিশনের মিনিটস, নথিপত্র, আলোচ্য, সিদ্ধান্ত অনুমোদনের নথি খতিয়ে দেখার আবেদন জানানো হয়েছে।
Gyanesh Kumar SC
একতরফা চলেন জ্ঞানেশ কুমার, অভিযোগ শুনবে সুপ্রিম কোর্ট
×
Comments :0