Debra Panchayat

তৃণমূলের পঞ্চায়েত সভাপতির চেয়ারে বিজেপি নেতা, চললো মিষ্টিমুখও, শোরগোল ডেবরায়

জেলা

ডেবরা পঞ্চায়েত সমিতি দপ্তরে তৃণমূলের সভাপতির চেয়ারে বসে বিজেপি"র দলনেতা। চলে মিস্টি মুখও।

বিধানসভা ভোটে বিজেপির জয়ে ডেবরা পঞ্চায়েত সমিতি দপ্তরে তৃণমূলের সভাপতির চেয়ারে বিজেপির বিরোধী দলনেতা। এমনকি ঐ তৃণমূল নেতাকে মিষ্টি খাইয়ে আপ্যায়নও করা হয়। এমন ঘটনায় শোরগোল ডেবরায়।
পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচিত সভাপতির চেয়ারে হঠাৎ করে বিজেপি দলের বিরোধী দলনেতা। এমন ছবিকে কেন্দ্র করে পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরায় শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। ভোটের ফল বেরোনোর পর থেকেই কার্যত 'অচলাবস্থা' তৃণমূল পরিচালিত ডেবরা পঞ্চায়েত সমিতিতে। আসছিলেন না পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাদলচন্দ্র মণ্ডল, সহ-সভাপতি প্রদীপ কর সহ অন্যান্য কর্মাধ্যক্ষরা। পরিষেবা লাঠে ওঠে।
হঠাৎ করে গতকালই ডেবরা পঞ্চায়েত সমিতির দপ্তরে একসঙ্গে হাজির হয় দুই পক্ষেরই নেতা। দপ্তর খুলে চলে পরস্পরের প্রতি মিষ্টি মুখ। তারপরই দেখা যায় সভাপতির চেয়ারে বসে বিরোধী দলনেতা বিজেপির রতন দে মণ্ডল।
এ বিষয়ে রতন দে মন্ডল বলেন, তিনি বিডিও'র সঙ্গে কথা বলতে গতকাল পঞ্চায়েত সমিতিতে গিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির আরও কয়েকজন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যরা।
তিনি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির কক্ষে গিয়ে বৈঠক করেন। এবিষয়ে তৃণমূলের সভাপতি মুখ না খুলে এড়িয়ে যায়।
এনিয়ে রতন দে মন্ডলের সমালোচনা হয় সমাজ মাধ্যমে।  এই অভিযোগ প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে রতনবাবু বলেন, সভাপতির কক্ষে বসে বৈঠক করেছি, একথা ঠিক। তবে ওঁর চেয়ার ব্যবহার করিনি।
একসময় তৃণমূলেই ছিলেন প্রবীণ এই নেতা রতন দে মণ্ডল। পরে বিজেপিতে যোগ দিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা হন। ডেবরা পঞ্চায়েত সমিতির ৪২টি আসনের মধ্যে ৩৫টি তৃণমূলের দখলে। ৫টি বিজেপি ও ২টি সিপিএমের দখলে। সভাপতির কক্ষ ব্যবহার করে তিনি যে কোনও অন্যায় করেননি, তাও দাবি করেছেন বিজেপির রতনবাবু।
পুরানো তৃণমূল ও বর্তমান তৃণমূলের মিলটা আগের মতোই আছে। তাই মিস্টি মুখ পর্যন্ত করা হয় দপ্তরেই বসে।
 

Comments :0

Login to leave a comment