তাড়াতে হবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনারকে। এসআইআর বন্ধ করতে হবে এখনই। ভোটার তালিকায় ফেরাতে হবে সব প্রকৃত ভোটারের নাম। বাতিল করতে হবে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের চালু আইন। দাবি না মেটা পর্যন্ত চলবে আন্দোলন। মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, বামপন্থীদের নির্বাচন কমিশন দপ্তর অভিযান কর্মসূচির পর এই লক্ষ্য জানিয়েছে সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরো।
বামপন্থীরা সপ্তাহভর দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি চালাচ্ছে। এদিন সকালে দিল্লিতে নির্বাচন সদন অভিমুখে বামপন্থীদের মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ। টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তোলে সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি সহ বামপন্থী নেতানেত্রীদের। তার নিন্দা করেছে পলিট ব্যুরো। (দেখুন: এসআইআর বিতর্কে দিল্লিতে বিক্ষোভ, আটক বেবি সহ একাধিক)
পলিট ব্যুরো বলেছে, শান্তিপূর্ণ মিছিল আটকাতে বলপ্রয়োগ করল দিল্লি পুলিশ। বামপন্থী দলগুলির কর্মীদের আটক করল। মহিলা কর্মীদের আটক করল পুরুষ পুলিশকর্মীরা। মারমুখী চেহারা নিয়ে টেনে হিঁচড়ে আটক করল সিল্লি পুলিশ।
নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ প্রসঙ্গে বামপন্থীদের দাবি, মোদী সরকারের তৈরি ২০২৩’র আইন বাতিল করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন মেনে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করতে হবে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকায় বলা হয় যে প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে রেখে বাছাই কমিটি হবে। এই কমিটি নির্বাচন কমিশনারের নাম ঠিক করবে। কিন্তু নির্দেশিকা বাতিল করতে ২০২৩ সালে আইন পাশ করে নরেন্দ্র মোদী সরকার বাছাই কমিটিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বদলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভারই এক সদস্যকে রাখার ব্যবস্থা করে। যাতে সরকার পক্ষের পছন্দ স্বাভাবিক নিয়মেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়।
দিল্লি পুলিশ দলের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি, সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরো সদস্য বি ভি রাঘাভুলু ও আর অরুণ কুমার, প্রবীণ নেত্রী বৃন্দা কারাত ও সুভাষিণী আলি, দিল্লি রাজ্য সম্পাদক অনুরাগ সাক্সেনা, রাজ্যসভার সাংসদ ভি শিবদাসন-সহ একাধিক নেতাকে হেনস্থা ও আটক করে।
বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন সিপিআই দিল্লি রাজ্য সম্পাদক দীনেশ বর্ষণে, সিপিআই(এমএল) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুচেতা দে, আরএসপি নেতা রাজীব দিমরি, ফরওয়ার্ড ব্লকের দিল্লি রাজ্য সম্পাদক ধর্মেন্দ্র ভার্মা এবং সিজিপিআই’র নেতা বিরজু নায়েক।
Polit Bureau on Manhandling of Left Leaders
নির্বাচন কমিশন অভিমুখে মিছিলে দিল্লি পুলিশের ধরপাকড়ের নিন্দা পলিট ব্যুরোর
×
Comments :0