Polit Bureau on Election Commission

নির্বাচন কমিশনার বাছাই আইনে বদল, এসআইআর বন্ধেরও দাবি পলিট ব্যুরোর

জাতীয়

নির্বাচন কমিশনের কাজে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি এবং স্বচ্ছতার দাবিও তুলেছে সিপিআই(এম)। সেই সঙ্গে দাবি, সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন মেনে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি গড়ার জন্য আইন পাশের দাবিও তুলেছে। সেই সঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া এখনই বন্ধ করার দাবি তুলেছে। 
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইনে বলা হয়েছিল যে বাছাই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে রাখা উচিত। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সেই গাইডলাইন মানেনি। ফলে এখন বিরোধী দলনেতা ছাড়া বাকি দু’জনই সরকার পক্ষের। 
‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ পত্রিকায় এক প্রতিবেদনে জানানো হয় যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তেই আপত্তি জানিয়েছিলেন অপর দুই নির্বাচন কমিশনার। কিন্তু আপত্তি অগ্রাহ্য করা হয় বারবার। এর মধ্যে এসআইআর-এ গণহারে নাম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তও আছে। 
পলিট ব্যুরো স্পষ্ট বলেছে যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে কাজ চালানোর অধিকার নেই জ্ঞানেশ কুমারের। 
এদিন দিল্লিতে একে গোপালন ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনও করেন সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি। 
পলিট ব্যুরো বলেছে, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন থেকে বোঝা যাচ্ছে যে তিন নির্বাচন কমিশনারের মধ্যে দু’জনই ভোটার তালিকা সংশোধন এবং এসআইআর’র মতো প্রক্রিয়ায় আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। আইন অনুযায়ী অনুযায়ী তিন নির্বাচন কমিশনারের ক্ষমতা সমান। মতের অমিল দেখা দিলে ঐকমত্য অথবা সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে তার মীমাংসা হওয়া উচিত। কিন্তু মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সেই বিধি মানেননি। অপর দুই কমিশনারের আপত্তি গ্রাহ্য না করে নিজের মত চাপিয়ে গিয়েছেন। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভোটার তালিকায় ভোটদাতাদের নাম সংযোজন বা বাদ দেওয়া সম্পর্কেই এই আপত্তি জানানো হয়েছিল। 
পলিট ব্যুরো বলেছে, পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে এসআইআর প্রক্রিয়া স্বচ্ছ এবং বিকেন্দ্রীভূত বলে যে দাবি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার করে চলেছেন তা মিথ্যা। বরং, গত কয়েক মাসে গোটা প্রক্রিয়া এতটাই কেন্দ্রীভূত থেকে যে সিদ্ধান্ত আসলে কে নিচ্ছে বোঝা যাচ্ছিল না। সুপ্রিম কোর্টও প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে এসআইআর-এ নোটিশ পাঠানোর বিষয়টিতে আপত্তি জানিয়েছিল। 
   

Comments :0

Login to leave a comment