কারখানায় শ্রমিক তিন হাজারের বেশি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে সেই সেঞ্চুরি প্লাই কারখানায় চলল ধর্মঘটের প্রচার। সাড়াও মিলেছে শ্রমিকদের।
এদিন প্রচারে অংশ নেন সিআিটিটইউ দক্ষিণ ২৪ পরগনা সম্পাদক দেবাশিস দে। তিনি জানিয়েছেন যে কারখানায় একাধিক ট্রেড ইউনিয়ন ধর্মঘটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তবে সিআইটিইউ সবচেয়ে শক্তিশালী। প্রায় ৩ হাজার ৭০০ শ্রমিক রয়েছেন এই কারখানায়।
মঙ্গলবার ধর্মঘটের সমর্থনে লিফলেট বিলি করা হয় শ্রমিকদের মধ্যে। কারখানার গেটে চলে সভা। আগেই দেওয়া হয়েছে স্ট্রাইক নোটিশ।
এর আগে আন্দোলনের চাপে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি সংক্রান্ত দাবির কিছুটা মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিল মালিকপক্ষ। কর্তৃপক্ষ বলেছিল যে শ্রম কোড চালু হয়ে গেলে অনেক দাবি জানাতেই পারবেন না শ্রমিকরা।
এদিন কারখানার গেটে সভায় সেকথাই মনে করিয়েছেন সিআইটিইউ নেতৃবৃন্দ। তাঁরা বলেছিলেন, শ্রম কোড লাগু হওয়া মানে আট ঘন্টা কাজের সময়সীমা আর নির্দিষ্ট থাকবে না। মালিকরা বারো-চোদ্দ ঘন্টা কাজ করিয়ে নিতে পারবে। লাগু হয়েছে সেই শ্রম কোডই। প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি মালিক দিতে বাধ্য থাকবে না। উঠে যাবে ওভারটাইম বাবদ বাড়তি অর্থ দেওয়ার নিয়ম। শ্রমজীবীকে দাসে পরিণত করতে চাইছে।
গেট সভায় দেবাশিস দে বলেন, ‘‘ধর্মঘট করার অধিকারই শ্রমিকদের কাছে সবচেয়ে বড় অস্ত্র। বাধ্য হয়েই তা প্রয়োগ করতে হচ্ছে। একজোটে শামিল হতে হবে ১২ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘটে।’’
এদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনেও হয়েছে প্রচার। বিভিন্ন বড় মলের সামনে প্রচার করেছে সিআইটিইউ। বুধবার ধর্মঘটের সমর্থনে সরারা রাজ্যের সঙ্গে জেলার বিভিন্ন জায়গায় মশাল মিছিল হবে বলে জানান নেতৃবৃন্দ।
12th Strike Century Ply
বিষ্ণুপুরে ‘সেঞ্চুরি প্লাই‘ কারখানায় ব্যাপক সাড়া ধর্মঘটের আহ্বানে
বিষ্ণুপুরে সেঞ্চুরি প্লাই কারখানার গেটে চলছে প্রচার। ছবি: অনিল কুণ্ডু
×
Comments :0