জানা অজানা
নতুনপাতা
বিশ্ব নাট্য দিবস ও বাংলার নাট্যকার
তপন কুমার বৈরাগ্য
২০ মার্চ ২০২৬, বর্ষ ৩
বিশ্ব নাট্য দিবস ২৭শে মার্চ।১৯৬১খ্রিস্টাব্দের ২৭শে মার্চ ইন্টার ন্যাশনাল থিয়েটার
ইনস্টিটিউট এই দিনটাকে বিশ্ব নাট্য দিবস হিসাবে ঘোষণা করে।১৯৬২খ্রিস্টাব্দের
২৭শে মার্চ প্রথম উদযাপিত হয়।উদ্দেশ্য নাটকের মাধ্যমে শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা।
বিষয়বস্তুর উপর ভিত্তি করে মধুসূদনের নাটকগুলো চরটে শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
পৌরাণিক নাটকঃ শর্মিষ্ঠা,পদ্মাবতী।
ঐতিহাসিক নাটকঃকৃষ্ণকুমারী।
প্রহসনঃ একেই কি বলে সভ্যতা, বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ।
রূপক নাটকঃমায়াকানন।
বাংলানাটকের অন্যতম সমাজ সচেতন নাট্যকার ছিলেন দীনবন্ধু মিত্র।
তার নাটকগলো তিনটে শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
সামাজিক নাটকঃ নীলদর্পণ
রোমান্টিক নাটকঃ নবীন তপস্বিনী,লীলাবতী,কমলে কামিনী।
কৌতুকধর্মী নাটকঃ বিয়ে পাগলা বুড়ো, সধবার একাদশী,জামাই বারিক।
বাংলা নাটকে সবচেয়ে জনপ্রিয় নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষ।তার নাটকগুলো
পাঁচটা শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
গীতিনাট্যঃ অকালবোধন, আগমনী,দোললীলা ইত্যাদি।
ঐতিহাসিক নাটকঃ অশোক,সিরাজউদ্দৌলা,মীরকাশিম,ছত্রপতি শিবাজী ইত্যাদি।
পৌরাণিক নাটকঃ রাবণ বধ,সীতার বনবাস,রামের বনবাস ,জনা ইত্যাদি।
সামাজিক নাটকঃ প্রফুল্ল, হারানিধি,বলিদান ইত্যাদি।
প্রহসনঃভোটমঙ্গল,হীরার ফুল,বেল্লিক বাজার ইত্যাদি।
বাংলা নাটকের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক নতুন ধারার প্রবর্তন করেন।
তার নাটকগুলোকে মূলত চারটে শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
গীতিনাট্য,কাব্যনাট্য, নাট্যকাব্যঃ বাল্মিকী প্রতিভা,কর্ণকুন্তি সংবাদ ইত্যাদি।
প্রচলিত রীতির পূর্ণাঙ্গ নাটকঃ রাজা ও রাণী,বিসর্জন,মুকুট ইত্যাদি।
কৌতুক নাটকঃচিরকুমার সভা,গোড়ায় গলদ, বৈকুণ্ঠের খাতা ইত্যাদি।
রূপক ও সাংকেতিক নাটকঃশারদোৎসব,রাজা,অচলায়তন,রক্তকরবী,ডাকঘর
ইত্যাদি।
বাংলা নাটকৈ দ্বিজেন্দ্র লালের কৃতিত্ব বলে শেষ করা যায় না।দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের
উল্লেখযোগ্য দুটি নাটক--মেবার পতন ও সাজাহান।
Comments :0