Patuli shoot-out

পাটুলিতে সুজন – বিকাশ, পুলিশকে হুঁশিয়ারি যাদবপুরের সিপিআই(এম) প্রার্থীর

রাজ্য কলকাতা বাংলা বাঁচানোর ভোট

বুধবার রাতে পাটুলিতে শ্যুটআউটের ঘটনার প্রতিবাদে পথে সিপিআই(এম)। গতকাল রাতে পাটুলি এলাকায় একটি শ্যুটআউটের ঘটনা ঘটে। একজনের মৃত্যু হয়েছে। আরও একজন একজন গুরুতর আহত। গতকাল রাতে পূর্ব পাটুলি এলাকার একটা বাড়ির ছাদে বসে কয়েকজন মদ্যপান করছিল। সেখানে এসে কয়েকজন গুলি চালায়। চার রাউন্ড গুলি চলেছে। মৃত ব্যাক্তি তৃণমূল কর্মী বলে জানা গিয়েছে।
এদিন ঘটনাস্থলে যান যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআই(এম) প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, সিপিআই(এম) নেতা সুজন চক্রবর্তী সহ স্থানীয় সিপিআই(এম) নেতারা। এলাকায় গিয়ে তারা আতঙ্কগ্রস্থ মানুষের সাথে কথা বলেন। তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘হয় আইন মেনে কাজ করুন না হলে চাকরি হারানোর জন্য তৈরি থাকুন। আইন মেনে সবার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করবো।’


বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘পাটুলি বলে নয় গোটা বাংলা জুড়ে এই ঘটনা ঘটছে। মানুষের কোন নিরাপত্তা নেই। কাটমানির জন্য তৃণমূল তৃণমূলকে খুন করছে। ওরা মানুষকে কী ভাবে নিরাপত্তা দেবে? মমতা বার বার বলতো সে গুন্ডা কন্ট্রোল করে। পাটুলির ঘটনা ফের একবার তা প্রমান করলো।’ তিনি আরও বলেন, ‘রাজ্যে নাবালিকা বিবাহ বাড়ছে। পাচার হচ্ছে। কণ্যাশ্রী বলে ভোট চাইছে মমতা।’ পাটুলি থানার ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের সুরে বিকাশরঞ্জন বলেন, ‘পাটুলি থানার ওসি তৃণমূলের এজেন্ট। উনি ফেসবুকে লেখেন কমরেড আপনারা শূন্য থাকবেন। উনি জানেনা যে ওনার চাকরি জীবন শূন্য করে দেওয়া যায়। আমরা ভদ্রতা দেখিয়েছি। ওনার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। এতোদিন কোন পদক্ষেপ আমরা করিনি এবার আর রেয়াদ করা হবে না। থানার ওসির মদতে পাটুলি এলাকায় গুন্ডারা দাপাদাপি করছে।’
সিপিআই(এম) প্রার্থী বলেন, তৃণমূল যাদবপুর বিধানসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে পুলিশের মদতে ভোট লুঠ করেছে এখন মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার লড়াইয়ের নাটক করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ যিনি নিহত হয়েছেন এবং যে আহত তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক অনৈতিক কাজের অভিযোগ রয়েছে। তাদের নামে ওয়ান্টেড পোস্টারও রয়েছে। কিন্তু পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি, ঠিক যেমন হয়েছে সোনা পাপ্পুর ক্ষেত্রে।
সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘পুলিশের মদতে গুন্ডারা দাপাচ্ছে। তৃণমূলের কাউন্সিলর, বিধায়ক এদের মদত দিয়েছে। গোটা পাড়ার মানুষ আজ আতঙ্কিত কেউ ভয়তে মুখ খুলতে পাচ্ছে না। আমরা প্রচারে যাচ্ছি সেখানে মানুষ বলছে তারা ভোট দিতে পারেন না। তাদের ভোটাধিকার তৃণমূল কেড়ে নিয়েছে অতীতের একাধিক নির্বাচনে।

Comments :0

Login to leave a comment