Delimitation Bill

জনগণনার জন্য অপেক্ষা না করেই ডিমিলিটেশনের বিল পেশ করছে কেন্দ্র

জাতীয়

সংবিধান অনুযায়ী আসন পুনর্বিন্যাসের জন্য নতুন জনগণনার রিপোর্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। ততটা অপেক্ষা করতে নারাজ নরেন্দ্র মোদী সরকার। সংসদের বিশেষ অধিবেশনে সংবিধানের এই বিধিই বদলাতে পেশ হচ্ছে বিল।
মহিলাদের আসন সংরক্ষণের আইনে সংশোধনী পাশের লক্ষ্য জানিয়ে ১৬-১৭ এপ্রিল সংসদের বিশেষ অধিবেশন। মোদী সরকারের বক্তব্য, মহিলা সংরক্ষণ দ্রুত চালু করার জন্য আনা হবে সংশোধনী। কিন্তু বাস্তবে লক্ষ্য হচ্ছে আসন পুনর্বিন্যাস। এই কশলের বিরোধিতা করেছে বামপন্থীরা, কংগ্রেস সহ বিরোধী বিভিন্ন দলই আপত্তি জানিয়েছে।   
সংবিধানের ৮২ ধারার তৃতীয় উপধারায় আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশনের সঙ্গে জনগণনার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সাংবিধানিক নির্দেশ অনুযায়ী নতুন ডিলিমিটেশন হবে নতুন জনগণনার পর। মোদী সরকারই ২০২১’র জনগণনা আটকে রেখেছে। সম্প্রতি তা চালু করার ঘোষণা করলেও কবে শেষ হবে অনিশ্চিত। 
সরকারের যে বিল সাংসদদের কাছে পাঠানো হয়েছে তাতে সংবিধানের ৮২ ধারার তৃতীয় উপধারা পুরোপুরি বাতিল করতে চাওয়া হয়েছে। যাতে ২০১১’র জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করা যায়। 
বিলে অপর প্রস্তাব হলো, সংবিধানের ৮১ ধারা বদলে লোকসভায় আসন বাড়িয়ে ৮১৫ করা। তার মধ্যে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মোট আসন ৩৫ করা। 
২০২৩ সালে মহিলাদের এক তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণ আইন পাশ হলেও তা কার্যকর হয়নি। কারণ, লোকসভা ভোটের আগে পাশ আইনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল আসন পুনর্বিন্যাস এবং জনগণনার শর্ত। 
সিপিআই(এম) বিলে সমর্থন দিলেও বলেছিল যে এই শর্ত মহিলাদের আসন সংরক্ষণকে ব্যাহত করবে। এবার সেই শর্ত তুলে দেওয়ার নামে ডিলিমিটেশনের ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র। 
এর আগে সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাস প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন ২০০ আসন বাড়বে উত্তর ভারতে। দক্ষিণ ভারতে বাড়বে মাত্র ৬৫ আসন। ব্যাহত হবে যুক্তরাষ্ট্রীয় ভারসাম্য।

Comments :0

Login to leave a comment