বিজেপি সরকার চায় কর্পোরেট সংস্থার হাতে চা বাগানকে তুলে দিতে। বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তাই চা বাগানে শ্রমিকদের সমস্ত সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে বাগান বন্ধ করার প্রচেষ্টায় লিপ্ত বিজেপি সরকার।
শুক্রবার জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের ভান্ডিগুড়ি চা বাগানে সিআইটিইউ রাজ্য সম্পাদক ও বাগিচা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল আলম একথা বলেন।
তিনি বলেন, এ রাজ্যের ক্ষেত্রে ২০১৫ সাল থেকে তাদের ন্যূনতম মজুরি চালুর দাবি নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে জয়েন্ট ফোরাম। ন্যূনতম মজুরি অ্যাডভাইজারি কমিটির বহু মিটিং হয়ে গেছে। আজকের যুগে শ্রমিক পরিবারগুলিকে বেঁচে থাকার জন্য শ্রমিকদের পক্ষ থেকে ন্যূনতম ৬৬০ টাকা ন্যূনতম মজুরি করার হিসাব সহ তথ্য সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার পর ১১ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। ন্যূনতম মজুরি কার্যকর হয়নি। বিধানসভা ভোটের আগে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী উত্তরবঙ্গে এসে ঘোষণা করেছিলেন চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৫০০ টাকা করা হবে। কিন্তু তার কোনো উদ্যোগ এখনও দেখা যাচ্ছে না। এমনকি নতুন সরকারের রাজ্য বাজেটে চা শ্রমিকদের সম্বন্ধে একটি কথাও বলা হয়নি। শ্রমিকরা যে জমিতে বসবাস করছেন সেই পুরো জমির পাট্টা দেওয়ার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলনে আছে জয়েন্ট ফোরাম। সব শ্রমিক ইউনিয়নকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করতে হবে।
Tea Garden BJP Jiaul Alam
চা বাগানে ৫০০ টাকা মজুরির প্রতিশ্রুতি কোথায়? বিজেপি-কে প্রশ্ন ভান্ডিগুড়িতে
ভান্ডিগুড়ি চা বাগানে জিয়াউল আলম।
×
Comments :0