Sikkim Tunnel Collapse

বৃষ্টি-মিথেনে বাধা উদ্ধারে, সিকিমের সুড়ঙ্গ ধসে উদ্ধার ১১ শ্রমিকের দেহ

জাতীয়

সিকিমে এনএইচপিসি’র সুড়ঙ্গ ধসের ঘটনায় কঠিন হচ্ছে উদ্ধারের কাজ চালানো। ভারী বৃষ্টির কারণে কমে যাচ্ছে উদ্ধার কাজের গতি। সুড়ঙ্গে মিথেন থাকার কারণে উদ্ধারের সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হচ্ছে সাবধানে।
তিস্তা স্টেট-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ৭ কিলোমিটার লম্বা এই টানেলের কাজ চলছিল। সোমবার গভীর রাতে ধস নামে টানেলে। মঙ্গলবার বিকালে জানা গিয়েছে ১১ শ্রমিকের দেহ উদ্ধার করা গিয়েছে। ১৫ জন এখনও আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা। কয়েকজনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। শ্রমিক এবং ইঞ্জিনিয়ার মিলিয়ে ২৭ জন ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
মাটির প্রায় তিন কিলোমিটার গভীরে এই টানেলের কাজ চলছিল। প্রথম যে সাত শ্রমিকের দেহ পাওয়া যায় তার মধ্যে চারজন জলপাইগুড়ির বাসিন্দা ছিলেন। আসাম, পাঞ্জাম এবং উত্তরাখণ্ডের ১ জন করে বাসিন্দা মারা গিয়েছেন এই সুড়ঙ্গ ধসে। 
ন্যাশনাল হাইড্রো পাওয়ার কর্পোরেশন বা এনএইচপিসি একটি বিবৃতিতে বলেছে যে জাতীয় এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছে। খনি সুরক্ষা বিষয়ক মহানির্দেশকের দপ্তর থেকে পাঠানো হচ্ছে উদ্ধার বিশেষজ্ঞদের।
উদ্ধারকারীরা মনে করছেন খনির গভীর মিথেন গ্যাস জমে ছিল। তা থেকেই বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের অভিঘাতে নির্মীয়মান সুড়ঙ্গের একাংশ ধসে পড়ে বেরনোর পথ বন্ধ হয়ে যায়।
উদ্ধারকারীরা সংবাদমাধ্যমে বলেছেন যে জীবিত অবস্থায় যাঁদের বের করে আনা গিয়েছে তাঁরা অবশ হয়ে যাওয়া বা মাথা ঘোরার সমস্যা জানিয়েছেন। ভেতরে গ্যাস জমে থাকলে শ্বাসের সমস্যা হয়। তা থেকে এমন শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

Comments :0

Login to leave a comment