SC on Delhi Student Protest hearing

ছাত্র বিক্ষোভে পুলিশের দমনে ‘সিট’ গড়তে চাইছে সুপ্রিম কোর্ট

জাতীয়

ছাত্রছাত্রী বা পুলিশকর্মীদের ওপর আঘাতের স্বাধীন তদন্ত হওয়া জরুরি। সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে সিট গঠন সম্পর্কে কেন্দ্র, দিল্লি, আসাম বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং কেরালার মতামত তলব করেছে শীর্ষ আদালত। 
দিল্লি এবং রাজ্যে রাজ্যে ছাত্র বিক্ষোভে পুলিশী দমন ঘিরে মামলার শুনানি হয় মঙ্গলবার। সুপ্রিম কোর্ট এদিনই একাধিক নির্দেশ দিয়েছে। 
শীর্ষ আদালত বলেছে ১৮ বছরের কম বয়সীদের হেপাজতে নেওয়া হয়ে থাকলে, বিশেষ করে যারা অতীতে কোনও অপরাধে জড়িত ছিল না, তাদের মুক্তি দিতে হবে। আদালত বলেছে, পুলিশের কাছেই রাখতে হবে সিসিটিভি ফুটেজ বা ড্রোন ফুটেজ। বেতার সংযোগের তথ্যও পুলিশের নিজের কাছে রাখতে হবে। ব্যক্তিগত তথ্য সাধারণ পরিসরে আনা যাবে না। প্রতিবাদীদের সম্পর্কে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। 
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং ভি মোহনার বেঞ্চে এদিন মামলার শুনানি হয়েছে। বেঞ্চে ছাত্রদের ওপর পুলিশের নিপীড়নের পাশাপাশি পুলিশকর্মীদের আহত হওয়া এবং সাংবাদিকদের আঘাত সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের আবেদনের শুনানিও হয়েছে। 
প্রধান বিচারপতি বলেছেন, ‘‘প্রাথমিক বিচারে ছাত্ররা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে নেমেছে। কোনও সন্দেহ নেই যে সংবিধানে এমন প্রতিবাদের অধিকারকে সুরক্ষা দেওয়অ হয়েছে। এখন দু’টি বিষয় ঘটে থাকতে পারে। এক, যারা প্রতিবাদকে বন্ধ করতে চেয়েছিল তারা হিংসার আশ্রয় নিয়ে থাকতে পারে। আন্দোলনে বাইরের লোকও ঢুকে থাকতে পারে। দ্বিতীয়, আহত পুলিশকর্মীদের পক্ষে আবেদন জমা পড়েছে। তা’হলে স্বাধীন তদন্ত হবে না কেন?’’ 
আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণন প্রতিবাদীদের পক্ষে দায়ের আবেদনের ভিত্তিতে সওয়াল করেন। তিনি বলেন, ‘‘ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা বা ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা যন্তর মন্তরে ছিল না। অতীতে সুপ্রিম কোর্ট ভিড় হটানোর জন্য নির্দেশিকা জারি করেছিল। বলা হয়েছিল, প্রথমে মাইকে ঘোষণা করতে হবে। এরপর জলকামান, তারপর লাঠি চালানো যাবে হাঁটুর নিচে। তারপর কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা যেতে পারে। এই  নির্দেশিকা ভাঙা হয়েছে দিল্লি এবং অন্য বিভিন্ন রাজ্যের বিক্ষোভে।’’ তিনি বলেছেন, ‘‘অসংখ্য ভিডিও-তে দেখা গিয়েছে দিল্লি পুলিশ বাড়াবাড়ি করছে।’’
প্রবীণ আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান আদালতে বলেছেন, ‘‘ইলেকট্রিক শক ব্যাটন ব্যবহার করা হয়েছে। একটি ঘটনায় দেখা গিয়েছে প্রতিবাদী এক মহিলাকে পুলিশ চড় মারছে।’’

Comments :0

Login to leave a comment