Assembly TMC

বিধাসভায় তৃণমূল বনাম তৃণমূল, সাসপেন্ড কুনাল

রাজ্য

তৃণমূলের মমতা গোষ্ঠী এবং ঋতব্রত গোষ্ঠীর সংঘর্ষে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত বিধানসভায় এদিন সকাল থেকে বিধানসভায় বক্তব্য রাখা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ছিল উত্তেজনা। ঋতব্রত শিবিরে তৃণমূল বিধায়ক আখরুজ্জামান যখন বক্তব্য রাখছিলেন তখন সেই সময় তার আসনের সামনে চলে আসেন কুনাল ঘোষ। তার বক্তব্যের মধ্যেই কুনাল ঘোষ বলতে থাকেন, ‘আপনি আমার নামটা কেটেছেন কেন?’ মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে অধিবেশন কক্ষে।
মমতাপন্থী তৃণমূলের বিধায়কদের অভিযোগ তাদের বলতে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। আলিফা আহমেদের অভিযোগ তাদের নাম দেওয়া হলেও নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে ঋতব্রত শিবিরের পক্ষ থেকে। 
তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে যখন উত্তেজনা তৈরি হয় বিধানসভার অভ্যন্তরে তখন একাধিক বার অধ্যক্ষ কুনাল ঘোষকে তার আসনে বসার জন্য বলতে থাকেন। কিন্তু বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক অধ্যক্ষের কথা শোনেননি। মার্শাল দিয়ে কুনাল ঘোষকে অধিবেশন কক্ষের বাইরে বার করে দেওয়া হয়। বিধানসভার অধিবেশন থেকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে কুনাল ঘোষকে। 
এই ঘটনার পর অধিবেশন ফের শুরু হলে আখরুজ্জামান বলেন, আমাদের দলের ৮০ জন বিধায়ক রয়েছে। সবাইকে বলতে দেওয়া কখনও সম্ভব নয়। আমি চিফ হুইপ হিসাবে যাকে মনে করবো তার নাম দেবো।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘এই ধরনের আচরণ বিধানসভায় আগে কখনও দেখিনি। আখরুজ্জামান সাহেব মন্ত্রী ছিলেন, ওনার বাবা মূর্শিদাবাদে একজন শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তি। আজ মমতাপন্থী এক তৃণমূল বিধায়ক নিজের আসন থেকে বেড়িয়ে এসে ওনার ওপর শারীরিক আক্রমণ করতে গিয়েছিল এর তীব্র নিন্দা করছি।’

উল্লেখ্য বিধানসভার ঐতিহ্য নষ্ট করার তৃণমূলের কাছে নতুন নয়। বিরোধী থাকাকালিন তারা বিধানসভায় ভাঙচুড় করেছিল, তখন শুভেন্দু তৃণমূলের বিধায়ক। আবার শাসক হওয়ার পর সিপিআই(এম) বিধায়ক গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জি, জাহানারা খানদের ওপর তারা অধিবেশন চলাকালিন হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করেছিল।

Comments :0

Login to leave a comment