ফের দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঝাড়গ্রাম জেলায়। এবারে এক স্কুল ছাত্রীকে ছবি ভাইরালের ভয় দেখিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। গত এক মাসে ঝাড়গ্রামে দুটি দলবেঁধে ধর্ষণ এবং এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তার বিচারাধীন জেলবন্দী। দিন ১৫ আগে গোপীবল্লভপুর থানা এলাকায় এক মহিলাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর জঙ্গলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়। পরে হাসপাতালে সেই মহিলার মৃত্যু হয়। এবার নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি থানা এলাকার এক গ্রামে। ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ধৃতদের নাম ইস্তিয়াক আহমেদ ও এস কে রাকিব আলি।
ধৃত ইস্তিয়াক আহমেদ ও এস কে রাকিব আলি।
পুলিশ জানিয়েছে, ভিডিয়ো ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে এক যুবক ওই নাবালিকার সঙ্গে একাধিকবার যৌন সম্পর্ক করে। পরে ভিডিয়ো মুছে দেওয়ার কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে এক নির্জন স্থানে পাঁচজন ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। ঘটনার ভিডিয়ো ছড়িয়ে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার জামবনি থানায় মামলা দায়ের হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। বাকি তিন অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে। ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার মানব সিংলা জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে। পুরো ঘটনার তদন্তে ধৃতদের চার দিনের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে জামবনি থানার পুলিশ।
Comments :0