বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী বিল প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছেন সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি।
বেবি চিঠিতে মোদীকে বলেছেন, ২০১৬ থেকে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক সংশোধন হয়ে চলেছে। দেশের সুরক্ষার জন্য বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন নিশ্চয় আছে। কিন্তু সংশোধনীর উদ্দেশ্য আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা। যার ফলে সমস্যায় পড়ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে বিভিন্ন এনজিও রয়েছে।
বিলে সরকার একটি কার্যবনির্বাহী প্রতিষ্ঠান গড়ে তার মাধ্যমে সরাসরি তহবিল বাজেয়াপ্ত করে নিতে পারবে।
বেবি দাবি করেছেন যে সরকারকে বিচারবিভাগীয় নির্দেশ ছাড়াই তহবিল বাজেয়াপ্ত করার সংস্থান দেওয়া হয়েছে সংশোধনীতে। এই সংস্থান বাতিল করতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বিশদে আলোচনা করে আইনি কাঠামো চূড়ান্ত হওয়া উচিত।
গত ২৬ মার্চ সংসদের বাজেট অধিবেশনে লোকসভায় বিলটি পেশ করেছে সরকার। সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার জন্য একটিট বিশেষ সরকারি প্রতিষ্ঠান গড়ার ব্যবস্থা রয়েছে বিলের প্রস্তাবে। ফলে সীমা ছাড়িয়ে প্রশাসনিক হ্তক্ষেপের আশঙ্কা রয়েছে।
বেবি বলেছেন যে মানবাধিকার, পরিবেশ সংরক্ষণ বা সংখ্যালঘু কল্যাণে যুক্ত বিভিন্ন এনজিও-র কাজ করা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়াবে এমন কড়াকড়ির ফলে। সরকারের ত্রুটি তুলে ধরে সমালোচনা করে এমন প্রতিষ্ঠানের পক্ষেও কাজ পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।
বিলে নিয়ন্ত্রণের কড়াকড়ি চালাপো হলেও রাজ্য সরকারের বেলা উলটো অবস্থান নেওয়া হয়েছে। বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন প্রয়োগ করতে হলে রাজ্য সরকারকে কেন্দ্রের অনুমোদন নিতে হবে। বেবি বিলের এই অংশ সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো অনুযায়ী রাজ্য সরকারের নিজস্ব এক্তিয়ার থাকে। এই প্রস্তাব রাজ্য সরকারের এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ।
Baby's letter to Modi
মোদীকে চিঠি বেবির: বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণের নামে দখলদারির বিল বাতিলের দাবি
×
Comments :0