বাংলাদেশের শরিয়তপুরে আক্রান্ত ব্যবসায়ী খোকন দাসের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এই আক্রমণের ঘটনায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে ফের।
শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে জানান সেখানকার সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান। গত বুধবার তাঁকে ছুরি দিয়ে কোপানোর পর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। সেদিন রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে শরীয়তপুরের ডামুড্যার কনেশ্বর ইউনিয়নের কেউরভাঙ্গা বাজারের কাছের ঘটনা।এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে খোকন দাসের বাবা তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। অভিযুক্তরা হলেন - সোহাগ খান (২৭), রাব্বি মোল্লা (২১) এবং পলাশ সরদার (২৫)। এই ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন মৃতের স্বজন ও এলাকাবাসী।
পরিবার জানায়, বাড়ি ফেরার পথে খোকন চন্দ্র দাসকে প্রথমে ধারাল অস্ত্র দিয়ে ‘কোপানো’ হয়। তারপর পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে মারার চেষ্টা করে দুষ্কৃতীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পাঠানো হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে। শনিবার ভোরের দিকে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
গত মাসে পরপর সংখ্যালঘুরা আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশে। কেবল সংখ্যালঘুই নন, উন্মত্ত ভিড়ের পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছে বাংলাদেশের সংখ্যাগুরু অংশের মানুষও।
Comments :0