বেলজিয়ামে ধর্মঘটে শামিল হয়েছে এক লক্ষের বেশি শ্রমজীবী। রাজধানী ব্রাসেলসে বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নের মিছিলে জনস্রোত দেখা যায়। বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন লড়াই জারি রেখেছে সপ্তাহভর।
বেলজিয়াম সরকার ব্যয় সঙ্কোচনের নামে শ্রমিকদের পেনশন, মহার্ঘ ভাতার অধিকারের হাত দিচ্ছে। ধর্মঘটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল শ্রমজীবীর এই অধিকার রক্ষা করা।
ট্রেড ইউনিয়ন সমূহের মঞ্চ এফজিটিটবি-এবিভিভি’র সেক্রেটারি জেনারেল সেলেনা কারবোনেরো ফার্নান্ডেজ বলেছেন, ‘‘পেনশনের ওপর হামলা হচ্ছে। ৬৭ বছর বয়স পর্যন্ত কাজ না করতে পারলে পেনশন পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়াবে সরকারের নীতিতে।’’
সেলেনা ব্রাসেলসে বিশাল জমায়েতে বলেছেন, ‘‘শ্রমিকদের মজুরিকে মূল্যবদ্ধির থাবা থেকে বাঁচানোর জন্য দামের সূচক হিসেবে রাখার পদ্ধতি চালু রয়েছে। দামের সূচকের ভিত্তিতে দেওয়া হোক মজুরি। কারণ তা হলে শ্রমিক শ্রেণির কেনার ক্ষমতা কমে যাবে।’’
ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলন যদিও নিজেদের দাবি তুলেই থেমে যায়নি। দাবি করা হয়েছে বিপুল বিত্তের মালিকদের ওপর কর বাবদ আদায় বাড়ানো হোক। তার বহু সুযোগ রয়েছে। সবচয়ে সঙ্কটের সময়েও তারাই বিপুল মুনাফা কামিয়ে নেয়। অথচ, সঙ্কট মোকাবিলার নামে ব্যয় সঙ্কোচন নীতির হাত ধরে শ্রমজীবীর অধিকারে আঘাত করা হয়। এই প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে।’’
বেলজিয়ামে ধর্মঘট হয়েছে গত ১২ মার্চ।
বেলজিয়ামের সরকারের নীতি অনুযায়ী ৬৭ বছরের আগে অবসর নিলে পেনশন বছর পিছু ৫ শতাংশ করে কমবে। ট্রেড ইউনিয়নের বক্তব্য, মজুরি বা বেতন কম যে অংশের সবচেয়ে বেশি বিপাকে তাঁরাই।
Brussels Strike
বেলজিয়ামে ধর্মঘটে লক্ষাধিক শ্রমিক, পেনশন-মহার্ঘ ভাতার দাবি
ব্রাসেলসে শ্রমজীবীর জমায়েত ছিল এমনই।
×
Comments :0