SFI education manifesto

শিক্ষাবাঁচানোর ইশতেহার প্রকাশ করলো এসএফআই, সঙ্গে র‌্যাপ গানও

রাজ্য বাংলা বাঁচানোর ভোট

রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন চাইছে এসএফআই। শেষ কয়েক বছর ধরেই তারা রিক্লিম এডুকেশন এই স্লোগানকে সামনে রেখে লাগাতার আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়েছে। লড়াই চলেছে 'স্কুল বাঁচাও, মূল বাঁচাও' এই স্লোগান নিয়েও। বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাঁচানোর লক্ষ্যে শিক্ষা সংক্রান্ত ইশতেহার প্রকাশ করল সংগঠনটি। স্কলারশিপ থেকে ক্যাম্পাসে ছাত্রছাত্রী নিরাপত্তা, মানসিক স্বাস্থ্য থেকে শিক্ষক নিয়োগ তাদের ইশতেহারে থাকছে বিকল্পের কথা। ছাড়াও স্কুল বাঁচাও, মূল বাঁচাও র‌্যাপ গান প্রকাশ করেছে এসএফআই।

মঙ্গলবার দীনেশ মজুমদার ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করেন এসএফআই নেতৃবৃন্দ। সাংবাদিক সম্মেলনে এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে বলেন, ''শিক্ষা সংক্রান্ত ইশতেহারে আমাদের মূল স্লোগান' স্কুল বাঁচাও মূল বাঁচাও, শিক্ষা বাঁচাও বাংলা বাঁচাও, বাম পুনরুত্থানের কারিগর হও'। এই আহ্বান আমরা রাজ্যে সমস্ত অংশে ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষানুরাগী মানুষ শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী, অভিভাবক তাদের কাছে রাখছি। রাজ্যের লেখাপড়ার ব্যবস্থাকে বাঁচাতে আমরা বিকল্পের ব্যবস্থা সামনে রাখছি।"

ইশতেহারে বলা হয়েছে সর্বজনীন শিক্ষার নিশ্চয়তা জন্য ড্রপ আউট আটকাতে সর্বজনীন ছাত্র বৃত্তি ব্যবস্থা করতে হবে। সংখ্যালঘু অংশের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নজরুল স্কলারশিপ, আদিবাসী ও দলিত অংশের পড়ুয়াদের জন্য আম্বেদকর স্কলারশিপের কথা ইশতেহারে বলা হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে স্মার্ট ক্লাসরুম, অত্যাধুনিক প্রজেক্টার, ইন্টারনেট, স্মার্টবোর্ড সহ বিভিন্ন আধুনিক ব্যবস্থা ভার্চুয়াল সাইন্স ল্যাব ও ডিজিটাল লাইব্রেরীর ব্যবস্থা করতে হবে। ছাত্রীদের জন্য প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন এছাড়াও নিরাপত্তার স্বার্থে প্রীতিলতা ক্যাম্প ও শারীরিক ও মানসিকেনস্থা বিরুদ্ধে তিলোত্তমা ডিজিটাল ড্রপ বক্সের কথাও বলেছে এসএফআই। এছাড়াও তারা বলছে স্কুল কলেজে সমস্ত শুন্য পদে দু বছরের মধ্যে শিক্ষক ও অধ্যাপক নিয়োগ করার কথাও। গণপরিবহনের ক্ষেত্রে স্কুল কলেজের পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ ছাড়ের কথাও জানিয়েছে তারা। প্রগতিশীল ছাত্র সংসদের জন্য অবিলম্বে রাজ্যের সমস্ত ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের জন্যও এই ইশতেহারে বলা হয়েছে।

দেবাঞ্জন আরও বলেন, "নির্বাচন কমিশন বিচারা দিনের নামে বহু মানুষের সঙ্গে অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী ভোটারদের বিচারাধীন অবস্থায় রেখে দিয়েছে। ভোটাধিকার অধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে তাদের। নিরাজ্য সরকার আগেই ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রদের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল।"

অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জি অকাল প্রয়ানে শোক জানিয়েছে এসএসআই। তার পরিবার পরিজন ও অনুগামীদের প্রত্যেকে সমবেদনা জানিয়েছে। রাহুলের হঠাৎ মৃত্যুর পর বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে এসেছে। বেশ কিছু গাফিলতি বেশ কিছু অব্যবস্থা  এলো সেই প্রশ্নের উত্তর সামনে আসা প্রয়োজন এই কোথায় জানিয়েছে তারা। এসএফআই দাবি করেছে এই মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ তদন্তের। তারা বলেছে প্রয়োজনে সিট গঠন করে তদন্ত করতে হবে।

Comments :0

Login to leave a comment