বইকথা
নতুনপাতা
মালয়ের জঙ্গলে অমলের এক অদ্ভুত অ্যাডভেঞ্চারের কাহিনি
সৌরভ দত্ত
৫ জানুয়ারি ২০২৬, বর্ষ ৩
মালয় সাগরের দ্বীপপুঞ্জের অন্তরালে রয়েছে বিপুল জীববৈচিত্র্যের সম্ভার ও বনরাজি। আনন্দ বাগচীর বিখ্যাত অ্যাডভেঞ্চার মালয়ের জঙ্গলে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনুষঙ্গ রয়েছে বইটির ছত্রে ছত্রে।অমল নামের এক কিশোরের আখ্যান বইটি।অমল ফুটবল খেলার জন্য চলে এসেছিল সিঙ্গাপুরে । সেখানেই রয়েছে অমলের এক পরিচিত রসিক ডাক্তার।সেই ডাক্তারবাবুর সূত্রেই যোগাযোগ হয় বিশুমামা নামক এক আজব চরিত্রের।তিনি ফ্রি-ল্যান্স ফটোগ্রাফার আর রিপোর্টার।বিশু মামার সাথে বাইক সওয়ারি হয়ে সিঙাপুর ভ্রমণ। এদিকে যুদ্ধ ঘোষণা হতে না হতেই সিঙাপুরে বোমা পড়ে। সামনে ফাইনাল পরীক্ষা । কলকাতায় ফিরে আসতে হবে অমলকে কিন্তু ফেরার রাস্তা বন্ধ।এই জায়গা থেকে শুরু হল এক দুর্দান্ত অভিযান।তার মধ্যে লুকিয়ে আছে বিপর্যয়।এবং অভিজ্ঞতার অসামান্য সন্দর্শন।অমল এমনিতে খুব খোঁয়াড়।আমলদের স্কুল এর ভূগোল স্যার ম্যাপ পয়েন্টিং শেখাতে গিয়ে ভূগোলের বুলি আওড়ানোর প্রসঙ্গ এসেছে।অমলের চোখে ভেসে ওঠে বিভিন্ন ছবি।তার মনে হয়েছিল--“ভারতমাতার বামকাঁধরূপী ব্রহ্মদেশ থেকে যে আঁচলটা ঝুলে পড়েছে বঙ্গোপসাগর আর শ্যামউপসাগরের মাঝ-বরাবর সেই আঁচলের প্রান্তে গিঁট বাঁধা চাবির থোকা ওই সিঙ্গাপুর দ্বীপটি।"অমল দেখতে পায় মালয় দেশে যুদ্ধের একটা বাতাস বইছে।এখানে যুদ্ধের আঁচ লাগলে হয়তো সরাসরি গায়েই লাগবে।"সিঙ্গাপুরের উত্তর-পশ্চিম দিকে জোহোর কজওয়ে দিয়ে রেল আর মোটর-পথ মালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে।যেমন পুলয় দ্বীপে সভ্য মানুষের বসতি নেই। নির্জন, প্রায় জনহীন।এসবই রয়েছে মালয়ের জঙ্গলে বইটিতে।
বইয়ের নাম--মালয়ের জঙ্গলে
লেখক--আনন্দ বাগচী
প্রচ্ছদ--অনুপ রায়
প্রকাশক--আনন্দ পাবলিশার্স
Comments :0