Bihar Police allegedly used AK-47 on Protesting Students

বিহারে ধর্মঘটী ছাত্রদের ওপর এ কে ফর্টিসেভেন ব্যবহারের অভিযোগে তোলপাড়

জাতীয়

পাটনায় ছাত্রদের লাঠিপেটা করছে পুলিশ।

বিহারে ছাত্র আন্দোলনের ওপর ফের আক্রমণ চালালো বিজেপি সরকারের পুলিশ। শনিবার রাজ্যের একাধিক জেলায় পুলিশের পীড়নের মুখে পড়েন ছাত্রছাত্রীরা।
দেশজুড়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে শামিল ছিল বিহারও। গত বুধবার ছাত্রদের দমাতে পুলিশ বর্বরতা চালায়। তার প্রতিবাদে শনিবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল একাধিক ছাত্র সংগঠন।
রাজধানী পাটনা, সিওয়ান, ছাপরা সহ একাধিক জেলায় পুলিশের বিরুদ্ধে দমনের অভিযোগ জোরালো।
বিহার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা এবং আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব ‘এক্স’ পোস্টে লিখেছেন যে পুলিশ ছাত্রদের ওপর গুলি চালিয়েছে। এক ফরটিসেভেন ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি লিখেছেন, সাতটি খুনের আসামী মুখ্যমন্ত্রী হলে সে রাজ্যে পুলিশ ছাত্রদের ওপর গুলি তো চালাবেই। অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। 
বিহারে সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক লালন চৌধুরী গত কয়েকদিন ছাত্রদের প্রতিবাদের ওপর পুলিশী দমননীতির কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন। 

 
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং পরপর প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনের সংহতিতেই বিহারের ছাত্ররা পথে নামেন। শনিবার প্রধান পদত্যাগ করেন। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীকে। এদিনই বিহারে বন্‌ধের ডাক দেয় একাধিক ছাত্র সংগঠন।
এদিকে সিওয়ান পুলিশের দাবি, ছাত্রদের একটি সংগঠনের সভা করা অনুমতি ছিল। সেখানে অন্যরা যোগ দেয়। গান্ধী ময়দানে এই সভা ঘিরে সংগঠনগুলির মধ্যে বিরোধ দেখা দেয় তা থেকে গোলমালের শুরু।
ছাত্ররা এই বক্তব্য যদিও খারিজ করেছেন। তাঁরা বলেছেন পুলিশ গুলি চালিয়েছে। এদিকে পুলিশের দাবি, ছয় থে সাত রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়া হয়েছে।
পাটনায় গান্ধী ময়দানের সামনে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদের সংঘর্ষ হয়। বন্‌ধের সমর্থনে ছাত্রদের বিক্ষোভ সভাকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন ছাত্ররা।

Comments :0

Login to leave a comment