MUKTADHARA | PROBANDHA | A Freedom Fighter Couple | TAPAN ROY | 10 SEPTEMBER 2026 | 4th YEAR

মুক্তধারা | স্বাধীনতা সংগ্রামী এক দম্পতি | প্রবন্ধ | তপন রায় | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৪র্থ বর্ষ

নতুনপাতা/মুক্তধারা

MUKTADHARA  PROBANDHA  A Freedom Fighter Couple  TAPAN ROY  10 SEPTEMBER 2026  4th YEAR

মুক্তধারা

প্রবন্ধ 

  স্বাধীনতা সংগ্রামী এক দম্পতি

  তপন রায়

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৪র্থ বর্ষ

স্বামী স্ত্রী উভয়েই স্বাধীনতা সংগ্রামী ও জেল খাটা মানুষ এমন দম্পতি খুব কমই দেখা যায়। যারা উভয়েই জেল খাটা ও স্বাধীনতা সংগ্রামী। এমনই দুজন হুগলি জেলার  বলাগড়ের  সুখরিয়া গ্রামে বাস করতেন। তাঁরা হলেন সুরেশ চন্দ্র চক্রবর্তী ও শান্তি সুধা চক্রবর্তী।

অবিভক্ত ভারতবর্ষের পূর্ববঙ্গে ফরিদপুর জেলার পালং গ্রামের বিপিন বিহারী চক্রবর্তী ও সরোজিনী দেবীর পুত্র সুরেশ চন্দ্র। এবং ওই সাব ডিভিশনেরই ভড্ডা  গ্রামের এক রক্ষণশীল পরিবারের জন্ম হয় শান্তি সুধার । শান্তি সুধার পূর্ব নাম লাবণ্যপ্রভা। গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়া শেষ করে,রক্ষণশীল পরিবারের সন্তান হওয়ায় আর স্কুলে যাওয়া হয় নি,বাড়িতেই গৃহ শিক্ষকের কাছে পড়াশোনা ।  
         
গ্রামের বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করে কলকাতায় চলে আসেন সুরেশ চন্দ্র । কলকাতায় আশুতোষ কলেজ থেকে পড়াশোনা করার সময় গ্রামের বিপ্লবী নগেন্দ্রশেখর চক্রবর্তী (নগা সর্দারের) অনুপ্রেরণায় নেতাজি সুভাষ বোস এর বিপ্লবী দলে নাম লেখান সুরেশচন্দ্র ।তখন থেকে শুরু দেশের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম অত্যাচারী শাসক ইংরেজের বিরুদ্ধে। তারপর বর্তমান বাংলাদেশের বিপ্লবীদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে নেতাজির নির্দেশে আন্দোলন করা । অস্ত্র  সরবরাহ করার কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়ে তিন বছর আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে বন্দি অবস্থায় কাটান। একনাগারে ৭২ ঘণ্টা জেরা চলে। ইংরেজ সরকার বড় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে দলের সংগঠনের কাজ জানার চেষ্টা করে। কিন্তু তাতে কোন কাজ না হওয়ায়  তিন বছরের জন্য জেল। তিন বছর বাদে বন্দী দশা কাটিয়ে বেরিয়ে এসে আবার আন্দোলনে যোগদান । কাজের সুবিধার জন্য তখন বিপ্লবী দলকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। যুগান্তর দল ও অনুশীলন দল। তিনি যুগান্তর দলে যোগ দেন ও সশস্ত্র আন্দোলনে যুক্ত হয়ে পুনরায় ইংরেজদের হাতে ধরা পড়েন এবং ১৯২৪ থেকে ১৯২৬ সাল পর্যন্ত থাকেন দমদম সেন্ট্রাল জেলে বন্দি ।

চলবে

Comments :0

Login to leave a comment