Bhubaneshwar Migrants DYFI

ভুবনেশ্বরে আক্রান্ত শ্রমিকদের পাশে যুব নেতৃবৃন্দ

জাতীয় রাজ্য

ভুবনেশ্বরে শ্রমিকদে মধ্যে ধ্রুবজ্যোতি সাহা। রয়েছেন অয়নাংশু সরকারও।

ভাইপোকে বাঁচানোর জন্যে তো অমিত শাহ'র কাছে ছুটে যান বছরে ৩ বার, শ্রমিকদের জন্য যেতে পারছেন না ? 
রবিবার ভুবনেশ্বরে আক্রান্ত শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করে এই দাবি তুলেছেন ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি সাহা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি অয়নাংশু সরকারও। 
যুব নেতৃবৃন্দের দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে শ্রমিকদের ওপর একের পর এক আক্রমণ নিয়ে কেন্দ্রের সরকারকে হস্তক্ষেপ করতে বলুক রাজ্যের তৃণমূল সরকার। সেই সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে না।  
উল্লেখ্য, প্রথমে গোমাংস খাওয়ার অভিযোগ। তারপরই বাংলাদেশি বলে আক্রমণ করা হয়েছে মুর্শিদাবাদের শ্রমিকদের। ওড়িশার লিঙ্গরাজ থানা এলাকায় হয়েছে এই আক্রমণ। বিজেপি রাজ্যের সরকারে আসীন হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ থেকে কাজে যাওয়া সংখ্যালঘু শ্রমজীবীর ওপর বারবারই এমন আক্রমণ হচ্ছে। 
লিঙ্গরাজে আক্রান্ত হয়েছেন মুর্শিদাবাদের ৮  শ্রমিক। ১ শ্রমিক ভর্তি রয়েছেন ভুবনেশ্বর এইমসে। ১ জন ভর্তি রয়েছেন মুর্শিদাবাদের লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে।  আক্রান্তদের মধ্যে ৩ শ্রমিক ফারাক্কার বাসিন্দা, ৩  শ্রমিক লালগোলার, ২  শ্রমিক ভগবানগোলার বাসিন্দা। আক্রান্তদের মধ্যে হয়েছেন  শ্রমিকদের এক ঠিকাদারও।  ওই শ্রমিকদের  বাংলাদেশী বলে দাগিয়ে  মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ওড়িশাতেই এমন আক্রমণ বারবার হচ্ছে। কেবল এ রাজ্যই নয়, হরিয়ানা থেকে দিল্লি বা আসাম, গুজরাটের মতো বিজেপি সরকারে আসীন এমন রাজ্যগুলিতে বারবার আক্রান্ত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিকরা। বিশেষত বাংলাভাষী সংখ্যালঘু শ্রমিকরাই টার্গেট। 
ভুবনেশ্বরে শ্রমিকদের এদিন ধ্রুবজ্যোতি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কাজ থাকলে তো আসতেন না। কিন্তু কাজ করতে এসে দেখছেন এখানে নিরাপত্তা নেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে হবে। নিশ্চিন্তে যাতে তাঁরা কাজ করতে পারেন তার জন্য আইন তৈরি করুন যা সারা দেশে চালু থাকবে। 
তিনি বলেন, বামপন্থীদের আন্দোলনের ফসল জব কার্ড। তৃণমূলের চুরিতে জব কার্ড বন্ধ হলো। আমাদের দাবি, এমন জব কার্ড তৈরি করুন যা নিয়ে দেশের যে কোনও প্রান্তে কাজ পাওয়া যাবে। 
আক্রমণের শিকার হলেন। আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসার খরচ শ্রমিককেই দিতে হচ্ছে। রাজ্যের সরকার এমন কার্ড দিক দেশের যে কোনও হাসপাতালে চিকিৎসা হয় এমন কার্ড দিক। তার বদলে মুখ্যমন্ত্রী নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, আর আক্রান্ত শ্রমিকরা বিপন্ন হচ্ছেন।  
যুব নেতৃবৃন্দ দাবি তুলেছেন যে রাজ্য সরকার আইডি কার্ড দিক যা অন্য রাজ্যে পশ্চিমঙ্গের শ্রমিকদের হয়রানির হাত থেকে বাঁচাবে।
ধ্রুবজ্যোতি বলেছেন,  ভাইপোকে বাঁচানোর জন্যে তো অমিত শাহ'র কাছে ছুটে যান বছরে ৩ বার, শ্রমিকদের জন্য যেতে পারছেন না ?

Comments :0

Login to leave a comment