মণ্ডা মিঠাই
নতুনপাতা
মধ্যবিত্তের জীবনে সাইকেল
আকাশ বিশ্বাস
৪ জানুয়ারি ২০২৬, বর্ষ ৩
পৃথিবীতে প্রায় সকলের বাড়িতেই একটা অন্তত বাইক বা স্কুটি থাকে। কিন্তু যারা এখনো দারিদ্র সীমার অন্তরে তাদের রোজকার চলার সাথী সেই দুই চাকার সাইকেল। তাদের কাছে এটাই বাইক। এখন সমাজে চারিদিকে একটা বার্তা ছড়িয়েছে যে যাদের কাছে বাইক আছে তারাই একমাত্র ধনী। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় যারা সাইকেল চালায় তারা সেই বাইক চালকদের থেকেও বেশি ধনী। আমি বিশেষত নিজের সাইকেল চালাতে পছন্দ করি। এখনো হয়তো অনেকেই বলবে আমার বাইক নেই তাই আমি সাইকেল চালাতে পছন্দ করি। কিন্তু সেটা নয়। আমরা বিলাসিতায় এতটাই মত্ত হয়ে পড়েছি যে আমরা এটাই ভুলে গেছি আমাদের পরিবেশের প্রতি কিছু কর্তব্য আছে। আমরা যদি পরিবেশকে সুস্থ না রাখি তাহলে পরিবেশ আমাদের সুস্থ রাখবে কি করে? বাইক চালানোর ফলে অত্যাধিক পরিমাণে বায়ু দূষণ হয় কিন্তু সাইকেল চালালে কোন দূষণ তো হয় না বরং স্বাস্থ্যের আরও উন্নতি হয় যেমন –
একটা মানুষের শরীরে গঠন ঠিক করতে অর্থাৎ একটা স্থুল ব্যক্তির স্থূলতার কারণে নানা রোগে আক্রান্ত যেমন উচ্চ রক্তচাপ, অস্টিওআর্থারাইটিস প্রভৃতি। সেই ব্যক্তি যদি দিনে একবার সাইক্লিন করে তাহলে তার স্থূলতা কমতে বাধ্য এবং তার রোগও নিরাময় সম্ভব।
আর্থিক দিক দিয়েও সাহায্য করে সাইকেল অর্থাৎ মানুষ প্রচুর পরিমাণে খরচা করতে করতে এখন খরচ বাঁচানোর চিন্তা করছে। মানুষ বহুদূর বিনা খরচে যাতায়াত করতে পারে।
সাইকেলের দ্বারা বহু মানুষের আয়ুর বৃদ্ধি হয় অর্থাৎ মানুষ বাইক চালাতে গিয়ে নানা কারণে অ্যাক্সিডেন্ট করে দেহ ক্ষতবিক্ষত হয়ে মারা যায়। কিন্তু সাইকেল চালানোর ফলে সেরকম ভয়াবহ এক্সিডেন্ট না হওয়ায় মানুষ বহু বছর বাঁচতে পারে।
সবশেষে, এটাই বলব যে সাইকেল হলো মানুষের প্রকৃত বন্ধু।
নবম শ্রেণী, কল্যাণ নগর বিদ্যাপীঠ খড়দহ, কল্যাণ নগর, খড়দহ, উত্তর ২৪ পরগনা।
Comments :0