MANDA MITHAI — GAJENFAR IMMAM — VIVEKANANDA O NIVEDITA — NATUNPATA | 18 JANUARY 2026, 3rd YEAR

মণ্ডা মিঠাই — গজেনফার ইমাম — কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: আমাদের ডিজিটাল জীবনের পথপ্রদর্শক — নতুনপাতা — ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, বর্ষ ৩

নতুনপাতা/মুক্তধারা

MANDA MITHAI  GAJENFAR IMMAM  VIVEKANANDA O NIVEDITA  NATUNPATA  18 JANUARY 2026 3rd YEAR

মণ্ডা মিঠাই

নতুনপাতা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: আমাদের ডিজিটাল জীবনের পথপ্রদর্শক

গজেনফার ইমাম

১৮ জানুয়ারি ২০২৬, বর্ষ ৩

ভূমিকা
বর্তমান যুগকে বলা হয় প্রযুক্তির যুগ। এই প্রযুক্তিগত উন্নতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (Artificial Intelligence)। এআই এমন একটি প্রযুক্তি যা মানুষের মতো চিন্তা করতে, সিদ্ধান্ত নিতে ও সমস্যা সমাধান করতে পারে। এর ফলে আমাদের জীবন ধীরে ধীরে ডিজিটাল হয়ে উঠছে এবং কাজকর্ম আরও সহজ ও দ্রুত হচ্ছে।
মূল আলোচনা
শিক্ষাক্ষেত্রে এআই একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। অনলাইন ক্লাস, স্মার্ট লার্নিং অ্যাপ, ডিজিটাল নোটস ও এআই টিউটর শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাকে আরও সহজ ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। একজন শিক্ষার্থী নিজের গতিতে ও নিজের দুর্বলতা অনুযায়ী শেখার সুযোগ পাচ্ছে।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে এআই মানুষের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। রোগ নির্ণয়, এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান বিশ্লেষণ, অনলাইন ডাক্তার পরামর্শ—সবকিছুই এখন এআই-এর সাহায্যে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা সম্ভব হচ্ছে।
ব্যবসা, ব্যাংকিং ও অফিস ব্যবস্থাপনাতেও এআই আমাদের পুরোপুরি ডিজিটাল করে তুলেছে। ডিজিটাল পেমেন্ট, অনলাইন ব্যাংকিং, চ্যাটবটের মাধ্যমে গ্রাহক সেবা ও স্বয়ংক্রিয় হিসাবরক্ষণ আমাদের সময় ও পরিশ্রম কমিয়ে দিয়েছে।
তবে এআই ব্যবহারের কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। চাকরির ক্ষেত্র পরিবর্তন, তথ্যের নিরাপত্তা ও প্রযুক্তির অপব্যবহার সম্পর্কে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। এআই যেন মানুষের ক্ষতি না করে, সে বিষয়ে সঠিক নিয়ম ও নৈতিকতা প্রয়োজন।
 

উপসংহার
সবশেষে বলা যায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের জীবনকে আরও স্মার্ট, দ্রুত ও ডিজিটাল করে তুলছে। সঠিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে এআই আমাদের ডিজিটাল ভবিষ্যতের প্রকৃত পথপ্রদর্শক হয়ে উঠবে।


একাদশ শ্রেণী, কল্যাণনগর বিদ্যাপীঠ খড়দহ, বন্দিপুর ঠাকুর কলোনী রহড়া খড়দহ। কলকাতা - ৭০০১১৯

Comments :0

Login to leave a comment