Vote Kerala

জনতার ভরসা বামপন্থীদের সঙ্গেই, কেরালায় প্রচারে বিজয়ন

জাতীয়

কোট্টায়ামে নির্বাচনী প্রচারে পিনারাই বিজয়ন।

গঠনমূলক এবং নির্দিষ্ট সমালোচনা করতে পারছেন না বিরোধীরা। রাজ্যের বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে বিধানসভায় অনাস্থা এনে বিশদ আলোচনা করছেন না। তার বদলে অসত্য কথা ছড়াচ্ছেন। 
নির্বাচনী প্রচার সভায় একথা বলেছেন প্রবীণ সিপিআই(এম) নেতা এবং কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তিনি বলেছেন, ‘‘জনতা আমাদের ওপরই আস্থা রাখবেন।’’
কেরালার ১৪০ আসনের বিধানসভায় ভোট ৯ এপ্রিল। রাজ্যে পরপর দু’বার সরকারে আসীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট। 
নির্বাচনে রাজ্যের জনমুখী উন্নয়নকে জোর দিচ্ছে বামপন্থী দলগুলি। সেই সঙ্গে চলছে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের প্রচারও।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন কোট্টায়ামে বলেছেন, ‘‘কেরালা একদিকে উন্নয়নের কাজ করেছে। তেমন দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই হয়েছে। কেরালার কেবল কম দুর্নীতির রাজ্য নয়। ঘটনা হলো, কেরালার সরকারের বিরুদ্ধে কোনও দুর্নীতির অভিযোগ জমি পায়নি। তা হয়েছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের অবস্থানের কারণে।’’
কেরালায় বিতর্ক তুঙ্গে নির্বাচন কমিশনের পদ্ম ছাপ লেটারহেড নিয়েও। ২০২৯’র মার্চে কমিশন রাজনৈতিক দলগুলিকে একটি চিঠি পাঠায়। সেই চিঠিতে বিজেপি’র কেরালা রাজ্য কমিটির স্ট্যাম্প ছিল। এই জায়গাতেই নির্বাচন কমিশনের স্ট্যাম্প থাকার কথা ছিল।
সিপিআই(এম) এক্স-এ পোস্ট করে বলেছে, ‘‘নিরপেক্ষ থাকার ভান করাও ছেড়ে দিল নির্বাচন কমিশন?’’ বলা হয়েছে, ‘‘একই ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে দিল্লিতে বিজেপি সরকার এবং নির্বাচন কমিশন চলছে।’’ 
সিপিআই(এম) পোস্টে লিখেছে, ‘‘মুখে মুখে যে কথা শোনা যাচ্ছে এ তো তারই প্রমাণ। যেই বোতামই চাপবেন না কেন ভোট যাবে পদ্মের খাতাতেই!’’ 
কেরালার নাম বদলে এখন ‘কেরালম‘। বিজয়ন বলেছেন, ‘‘একদিকে কেরালা পরিকাঠামো বিনিয়োগ তহবিল পর্ষদ কেআইআইএফবি’র মাধ্যমে জেলায় জেলায় ৬২ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রমেশ চেন্নিত্থালা পর্যন্ত তা স্বীকার করেছেন। গত দশ বছরে এমন প্রকল্পের কাজ হয়েছে যেখানে ৫০-৬০ বছর লেগে যেতে পারত। এই পর্ষদের ভূমিকাকে এখন খাটো করে দেখাতে নেমেছে বিরোধী দলগুলি। 
কেরালায় প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। রাজ্যে বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে বারবার প্রচার চালালেও বিধানসভায় কোনও আসনে পদ্ম প্রতীকের কোনও প্রার্থী জেতেননি। 
বিজয়ন বলেছেন, ‘‘আমরা জনতার মাঝেই কাজ করি। অসত্য প্রচার করে ভোট জয়ের কোনও অভিপ্রায় নিয়ে প্রচার আমরা বামপন্থীরা করি না। জনতা দেখেছেন আমাদের। তাঁদের অভিজ্ঞতাতেই জয়ী করবেন আমাদের।’’

Comments :0

Login to leave a comment