বেলঘড়িয়া স্টেশনে হকার উচ্ছেদ করতে গিয়ে পিছু হটতে হলো রেল পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশকে। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই হকারদের পুনর্বাসন না দিয়ে উচ্ছেদ করে চলেছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। চলছে বুলডোজার রাজনীতি। রাজ্য সরকারের এই অনৈতিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন বামপন্থীরা।
বৃহস্পতিবার বেলঘড়িয়া স্টেশনে হকার উচ্ছেদ করতে গেলে সেখানে রাজ্য এবং রেল পুলিশকে বাধা দেয় হকাররা। তাদের সেই আন্দোলনে উপস্থিত ছিলেন সিপিআই(এম) নেতা সায়নদ্বীপ মিত্র এবং গার্গী চ্যাটার্জি।
সিআইটিইউ নেতৃত্ব বেলঘড়িয়ার স্টেশন মাস্টার ও আরপিএফ পুলিশ আধিকারিক সাথে অফিসে তারা কথা বলেন, সেখানে আরপিএফ ও স্টেশন মাস্টারের সঙ্গে গার্গী চ্যাটার্জি ও সায়নদ্বীপ মিত্রের বাগদন্ডা শুরু হয়।
রেল পুলিশের দাবি অবৈধ দোকান ভাঙতে হবে এবং শ্রমিকর নেতৃত্বের দাবি পুনর্বাসন ছাড়া দোকান তোলা যাবে না। নেতৃত্ব জানায়, সেখানে প্রায় ২৫০-৩০০ দোকান আছে যেখানে ৪০ বছরের উপর এই দোকানের ওপর অনেকের ঘর-সংসার চলে। এই দোকান যদি ভেঙে দেওয়া হয় তাহলে এই পরিবারগুলো জন্য সরকারকে বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। গার্গী চ্যাটার্জি বলেন, ‘যখন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা ছিলেন তখন এই হকার বন্ধুদের পাশে থেকে তৃণমূল যখন হকার উচ্ছেদ করছিল তিনি বলেছিলেন বুলডোজার চালাতে হলে আমার ওপর চালান। আমি হকার উচ্ছেদ করতে দেব না। এখন তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এই হকারদের উচ্ছেদ করে দিশাহারা করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রশ্ন হল ভোটের আগে তিনি বিরোধী দলনেতা হিসেবে যে দাবি রেখেছিল এখন সেই কথা কেন তিনি মানছেন না?’
বেলঘড়িয়ার হকারদের কথায়, বেআইনি দোকান আমরা নিজেরাই ভেঙে দেব যে দোকান অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে যারা ব্যবসা করে না দীর্ঘদিন ধরে আটকে রেখেছে সেই দোকান আমরাই ভেঙে দেবো। আমরা চাই না রেলের উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমরা কোন বাধা হই। রেলকে পাশে রেখেই আমরা রেলের উন্নয়নের সাথে আমাদের জীবন জীবিকা চালাবো।
Street hawker
হকারদের সংঘবদ্ধ আন্দোলনের চাপে পিছু হটলো রেল প্রশাসন
×
Comments :0