Jalpaiguri

দুর্ঘটনায় মৃত্যু এসআইআর’এ নিযুক্ত কর্মীর

জেলা

স্কুটিতে চেপে ময়নাগুড়ি বিডিও অফিসে যাওয়ার পথে ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন এসআইআর’র দায়িত্বে থাকা কর্মী শম্পা রায়। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর সহকর্মী পায়েল মোহন্ত। শনিবার সকাল ১০টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির দশদরগা এলাকা সংলগ্ন ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে। এসআইআরের কাজের জন্য তাঁরা ময়নাগুড়ি যাচ্ছিলেন। জানা গেছে শম্পা রায় ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে শম্পা রায় একটি স্কুটিতে চড়ে ময়নাগুড়ি বিডিও অফিসে যাচ্ছিলেন। সহকর্মী পায়েল মোহন্ত’র সঙ্গে স্কুটিতে করেই ময়নাগুড়ি বিডিও অফিসে যাচ্ছিলেন শম্পা। জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি জাতীয় সড়কের দশ দরগা এলাকায় একটি ডাম্পার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শম্পার স্কুটিতে ধাক্কা মারে। রাস্তার উপরেই ছিটকে পড়েন দু’জনে। দুজনকে উদ্ধার করে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা শম্পাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূ্ত্রে পাওয়া খবরে জানা গেছে পায়েল মোহন্ত’র অবস্থা আশঙ্কাজনক। 

ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডু জনান, এসআইআর’র কাজে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে যুক্ত ছিলেন আহত ও নিহত ২ মহিলা কর্মী। প্রতিদিন তাঁরা বাসে করে যাতায়াত করলেও এদিন পায়েল মোহন্ত নামে আর এক কর্মীর স্কুটিতে করে ময়নাগুড়ি যাচ্ছিলেন শম্পা। পথেই ডাম্পারের ধাক্কায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি চিকিৎসাধীন পায়েল ও মৃত শম্পার পরিবারের পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন।


বিডিও অফিসের এক কর্মীর বক্তব্য প্রতিদিন পায়েল বাসে করেই অফিসে আসতেন। এদিন পায়েল স্কুটি চালিয়ে শম্পাকে পিছনের আসনে বসিয়ে আসছিলেন। পথেই একটি ডাম্পার পিছন থেকে এসে ধাক্কা মারলে রাস্তায় ছিটকে পড়েন দু’জনে। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তাতেই পড়ে থাকেন শম্পা। স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে বাঁচানো যায়নি শম্পাকে। পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দিয়েছে। ঘাতক ডাম্পারের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে প্রশাসনিক মহলে।

Comments :0

Login to leave a comment