Post Editorial

সঙ্ঘের গুরুকুলে মমতা কেন প্রিন্সিপাল?

উত্তর সম্পাদকীয়​

চন্দন দাস

হিংস্র, জান্তব হয় একটি নির্দিষ্ট ‘কমিউনিটি’। পুরো সেই ‘কমিউনিটি’ ক্রিমিনাল হয়। ’৪৬-এর দাঙ্গা শুধু সেই ‘কমিউনিটি’ করেছে। গত দেড় বছরে বাংলাদেশে যাবতীয় ‘বারোটা বাজানো’র কাজ শুধু ওই ‘কমিউনিটি’র কাণ্ড। গত দেড় দশকে পশ্চিমবঙ্গে যে ৫০টির বেশি দাঙ্গা হয়েছে, তাতে হামলাকারীরা শুধু সেই কমিউনিটির লোকরাই ছিল। গুজরাটে কখনো কিছু হয়নি। প্যালেস্তাইন, ইরানে কিচ্ছু হচ্ছে না। মোঘলরাই শুধু আক্রমণকারী, হিন্দু জমিদার-রাজা-রানা’রা সবাই বড় প্রজাবৎসল ছিলেন। আমাদের এই সব মহা-ইতিহাস জ্ঞান পাখি পড়ার মতো বুঝিয়েছেন, বোঝাচ্ছেন আরএসএস’র শিক্ষকরা। মমতা ব্যানার্জিকে হঠাৎ কেন সেই কলেজের প্রিন্সিপাল হয়ে উঠতে হলো?
কী বলেছেন তিনি? ধর্মতলার ধরনা মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী গত ৮মার্চ বলেছেন, ‘আমরা আছি তাই ভালো আছেন। আমরা যদি না থাকি তাহলে একটা কমিউনিটি জোট বেঁধে এক সেকেন্ডে ঘিরে ফেলে বারোটা বাজিয়ে দেবে।’ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এই কথা বলেছেন। সেই ‘কমিউনিটি’ এতটা হিংস্র? মুখ্যমন্ত্রী তাই মনে করেন।
মমতা ব্যানার্জি কোন ‘কমিউনিটি’র কথা বলতে চেয়েছেন বুঝতে অসুবিধা হয় না। রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলমানদের সম্পর্কে তিনি এই কথাগুলি বলেছেন। ‘দাঙ্গা করতে এলে মাথা ভেঙে দেবো’, পশ্চিমবঙ্গ একজন মুখ্যমন্ত্রীর এই ভাষ্য শুনেছিল। তা ছিল দাঙ্গাকারী দুষ্কৃতীদের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর হুঁশিয়ারি। দাঙ্গাকারীর কোনও ধর্ম নেই, থাকে না। দাঙ্গা করে দুষ্কৃতীরা। এটি কমিউনিস্টদের আদর্শগত বোঝাপড়া। এই আদর্শ মমতা ব্যানার্জির নয়। তাই কোনও একটি সম্প্রদায়কে সামগ্রিকভাবে হাঙ্গামাকারী হিসাবে ইঙ্গিত করে সমাজে আশঙ্কা তৈরি করার চেষ্টা করেছেন তিনি। সংবিধানের আদর্শ রক্ষার শপথ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী চেয়ারে বসা কোনও ব্যক্তির কাছে তা অনভিপ্রেত। তবে মমতা ব্যানার্জির কাছে ধর্মনিরপেক্ষতা খুঁজতে গেলে কয়েকটি ঘটনার কথা স্মরণ করা ভালো। প্রথমত, ২০০৫-এর আগস্টে তিনিই অভিযোগ করেছিলেন যে, এই রাজ্যে সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে ভোটার তালিকায় ভুয়ো ভোটার ঢোকানো হয়েছে এবং বৈধ ভোটদাতাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ‘অনুপ্রবেশ’ মুসলমানরা করে, হিন্দুরা নয়—  এই ভাষ্য আরএসএস’র। মমতা ব্যানার্জি হিন্দুত্ববাদী সঙ্ঘের কথাই বলেছিলেন তৃণমূলের পক্ষ থেকে। দ্বিতীয়ত, তিনি বাবরি মসজিদ ভেঙে রামমন্দির প্রতিষ্ঠার পক্ষে ছিলেন। ২০০৪-র ৮ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে এনডিএ’র নির্বাচনী ইশ্‌তেহার প্রকাশিত হয়েছিল। সেই ‘ভিশন ডকুমেন্ট’-এ ‘বেসিক মিশন অ্যান্ড কমিটমেন্ট’-এর মধ্যে অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণকে এনডিএ’র অন্যতম লক্ষ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই ইশ্‌তেহারে সই ছিল মমতা ব্যানার্জির। সেই ইশ্‌তেহার প্রকাশ করেছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ী। সেদিন মঞ্চে জর্জ ফার্নান্ডেজের পাশে হাজির ছিলেন মমতা ব্যানার্জি। তৃতীয়ত, ২০২৪-এর ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশের তৎকালীন ঘটনাবলী নিয়ে বিবৃতি দিয়েছিলেন সঙ্ঘের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড তথা ‘সরকার্যাবহ’ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। হোসাবলে বলেছিলেন,‘‘এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে, ভারত, বিশ্ব সম্প্রদায় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে বাংলাদেশের ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং তাদের সংহতি প্রকাশ করতে হবে।’’ ‘ভুক্তভোগী’ মানে? সঙ্ঘের মতে শুধু হিন্দুরা। মমতা ব্যানার্জি মুখ খুলেছিলেন তার দু’দিন পর। সেদিন, ২ ডিসেম্বর নাগপুরের সুর বেজে উঠেছিল পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায়। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বললেন,‘‘কেন্দ্রীয় সরকারের বিষয়টিকে রাষ্ট্রসঙ্ঘে নিয়ে যাওয়া উচিত। যাতে রাষ্ট্রসঙ্ঘের তরফ থেকে বাংলাদেশে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানো যায়।’’ সেদিনই পেট্রাপোল সীমান্তে দলীয় সভায় তৃণমূল থেকে বিজেপি’তে যাওয়া শুভেন্দু অধিকারী বলেন,‘‘আমি তো দু’দিন আগেই বলেছিলাম, রাষ্ট্রসঙ্ঘের উচিত বাংলাদেশে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর। উনি (মুখ্যমন্ত্রী) আজ সেটা বিধানসভায় বলেছেন।’’ 
কে বড় হিন্দু-প্রেমী তার প্রতিযোগিতা এ’ভাবেই এগিয়ে নিয়ে গেছেন মমতা ব্যানার্জি। কিন্তু প্যালেস্তাইন, ইরানে হামলা নিয়ে কখনও মুখ খোলেন না তিনি। সেখানে আক্রান্তদের বেশিরভাগ মুসলিম বলে নয়। সেখানে হামলাকারীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের—  তাই ‘লিউকোপ্লাস্ট’ থাকে তৃণমূল নেত্রীর মুখে।
এবারও এমন সময়ে তিনি ‘এক সেকেন্ডে বারোটা বাজিয়ে দেওয়ার’ মন্তব্যটি করেছেন যখন বিশ্বজুড়ে ‘ইসলামোফোবিয়া’ ছড়িয়ে পড়েছে। আমাদের দেশে এবং বিশেষত পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশের গত দু’ বছরের নানা হিংসাত্মক ঘটনার পর মুসলিম-বিদ্বেষ বাড়িয়ে তুলেছে সঙ্ঘের প্রচারকরা। সন্দেহ নেই যে, ৯/১১-র হামলার পরই পৃথিবীতে মুসলিম-বিদ্বেষ বেশি ছড়ানো হয়েছে। যারা লাদেনকে তৈরি করেছিল, দেশে দেশে উগ্রপন্থীদের মদত দিয়েছে, সেই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদই উগ্রপন্থা এবং ইসলামকে এক হিসাবে তুলে ধরে প্রচার চালিয়েছে। সঙ্গে রয়েছে তার সহযোগীরা। ২০০১-র উগ্রপন্থী হামলার ১৬ বছর পরে, ২০১৭-তে পিউ গবেষণা সংস্থার সমীক্ষায় দেখানো হয়েছিল মার্কিন প্রাপ্তবয়স্কদের অর্ধেক তখনই মনে করেন ইসলাম মার্কিন মূলস্রোতের অংশ নয়। 
ভারতের তখ্‌তে এখন আরএসএস। মুসলিম-বিদ্বেষ দেশের সরকারি প্রকল্প। গরিব মুসলমানদের জন্য ‘বুলডোজার।’ পরিযায়ী সংখ্যালঘুদের জন্য বাংলাদেশে পুশব্যাক। বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরের বিভিন্ন ঘটনাকে ‘হিন্দু খতরে মে’ হিসাবে প্রচার চালিয়েছে আরএসএস, বিজেপি। যার প্রভাব এই রাজ্যে পড়েছে। 
ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে ‘বনাম’, ‘দুটি পক্ষ’—  এটি একটি ন্যারেটিভ। যা আজকের ভারতের যাবতীয় যন্ত্রণা, স্বপ্নভঙ্গের একমাত্র মাপকাঠি করে তোলার প্রবল চেষ্টা হচ্ছে। অবশ্যই মূল সমস্যা থেকে নজর সরিয়ে দিতে। সেই প্রজেক্টে তৃণমূল শামিল।
বাঙালি হিন্দুদের মধ্যে সাম্প্রদায়িকতা, মুসলমান-বিদ্বেষ দীর্ঘদিন ধরে ঘাপটি মেরে আছে। দেশভাগেরও আগে থেকে আছে। হিন্দু প্রধান মধ্যবিত্তদের পাড়ায় মুসলমান পরিবার ঘর ভাড়া পায় না। ফেজ টুপি দেখলেই ‘জঙ্গি’ বলে মনে হয় কারও কারও। আইন শুধু ওই কমিউনিটি ভাঙে, তাঁরাই শুধু হেলমেট পড়েন না— এমন ধারণা সমাজে রয়েছে। মহিলারা অবদমিত শুধু ওই কমিউনিটিতেই হন, বাকিদের দুনিয়া ধোয়া ব্রাহ্মী শাক। এমনও ধারণা আছে। ইতিহাসের সরণি বেয়ে দূরে, অনেক দূরে যাওয়ার দরকার নেই। তবু আমাদের মনে রাখতে হবে মমতা ব্যানার্জি বাংলার সেই সমাজের অংশ, যাঁরা সিপাহী বিদ্রোহে আতঙ্কিত হয়েছিলেন, ভেবেছিলেন মোঘলরা বোধহয় আবার ফিরে এল! বেলেঘাটায় গান্ধীর উপর তিনবার হামলার চেষ্টা হয়েছিল। আর হামলা যারা করেছিলেন তারা বিশ্বাস করতেন, প্রচার করতেন যে, মুসলমানরা সব দখল করে নিচ্ছে, মুসলমানরা দলবেঁধে হামলা করছে। এই সাম্প্রদায়িক মনোভাব, যা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের হাতিয়ার এই রাজ্যে, তাকেই ব্যবহার করতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যাঁর কাজ ধর্মীয় বিদ্বেষের শক্ত হাতে মোকাবিলা করা, তিনি তাকেই প্ররোচনা দিয়েছেন। 
মমতা ব্যানার্জি মুসলমানদের সম্পর্কে এই ভীতি এখন দেখাচ্ছেন কেন? কেন তিনি নাথুরামের ভাষায় কথা বলছেন? ২০১১-র আগে তিনি বঞ্চিত হিসাবে প্রচার করে মুসলমানদের ব্যবহার করেছেন। এবার তিনি ‘ওই তেড়ে আসছে মুসলমানরা’ দেখিয়ে হিন্দু সহ অন্যান্য ‘কমিউনিটি’কে ব্যবহার করতে চাইছেন। পরিকল্পনা কার? রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)-র। 
এই সূত্রে ২০০৭-এ যাই। সেই বছরের জানুয়ারি থেকে তৃণমূল-বিজেপি-মাওবাদী-জামাত সহ বিভিন্ন শক্তি মিলে নন্দীগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা অস্ত্রের জোরে দখল করেছিল। তা নাকি ‘জমি রক্ষার লড়াই’ ছিল বলে দাবি করা হয়। সেই সময়ে নন্দীগ্রাম থেকে রাজ্যের সর্বত্র তৃণমূল প্রচার করেছিল বামফ্রন্ট সরকার নাকি বেছে বেছে মুসলমানদের জমি কেড়ে নিচ্ছে। এই প্রচারে সঙ্গত দিয়েছিল মিডিয়া। নন্দীগ্রামে মাজার, মসজিদ সব ভেঙে ফেলা হবে— এমন কথা খবরের কাগজে লেখাও হয়েছিল। ২০০৮-এ নন্দীগ্রামের হাজরাকাটার সভায় মমতা ব্যানার্জি বলেন যে, ‘সিপিএম-এর পাশ থেকে মুসলমানরা সরে গেলেই ব্যস...।’ সংখ্যালঘুদের একটি বড় অংশ বামফ্রন্টকে ভুল বুঝেছিলেন। বামপন্থীদের পাশ থেকে তাঁরা কিছুটা সরে গেছিলেন বিশেষত ২০০৮-০৯ থেকে। তাঁদের এই ভুল বোঝার সুযোগ নিয়েছে আরএসএস। বামপন্থীরা দুর্বল হয়েছে। মমতা-শাসনে হিন্দুত্ববাদীরা বাড়তে পেরেছে। আর সংখ্যালঘুদের বড় অংশের সমর্থনে রাজ্যে সরকার চালিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি। 
কী আর হলো তাতে? ফিরহাদ হাকিমদের মতো কারও কারও দেদার সম্পত্তি বেড়েছে। আরাবুল ইসলাম, সওকত মোল্লা, রুকবানুর রহমানের মতো কারও কারও প্রতাপ বেড়েছে। কিন্তু গরিব সংখ্যালঘু পরিবারের লক্ষ লক্ষ যুব ভিন রাজ্যে কাজের সন্ধানে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তাঁদের অনেকের সেখানে মৃত্যু হয়েছে। সোনালি বিবির মতো তাঁদের কয়েকজনকে ‘পুশব্যাক’-এর ফলে বাংলাদেশের জেলেও কাটাতে হয়েছে। এমনটা নয় যে সংখ্যালঘুরা ছাড়া বাকিদের হাল কিছু আলাদা। এই ক্ষেত্রে তৃণমূলের নেতাদের আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে, অভিষেক ব্যানার্জিদের মতো তৃণমূলের প্রভাবশালীদের পেল্লাই বাড়ি হয়েছে। কিন্তু গরিব, মধ্যবিত্ত বাকিরা বিধ্বস্ত। 
এই পরিস্থিতি থেকে নজর ঘোরাতে ‘একটা কমিউনিটি বারোটা বাজিয়ে দিতে পারে’, মুসলমানরা তেড়ে আসার জন্য তৈরি হচ্ছে গোছের বাতাবরণ তৈরি করা একটি কৌশল। এবং এই কৌশল বারবার আমাদের দেশে, আমাদের রাজ্যে তৈরি করা হয়েছে। একমাত্র বামপন্থীরা ছিল এর বিরুদ্ধে।   
২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পরে নবান্নে তৃণমূল নেত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন,‘‘বলে আমি নাকি মুসলমান তোষণ করি। বেশ করি। একশো বার করবো। যে গোরু দুধ দেয় তার লাথি খাওয়াও ভালো।’’ সেবার মুসলমানরা হয়েছিলেন,‘দুধ দেওয়া গোরু।’ এবার হলেন,‘এক সেকেন্ডে ঘিরে ফেলে বারোটা বাজিয়ে দেওয়া’র মতো হিংস্র ‘কমিউনিটি’। এবার, ধর্মতলার ধরনা মঞ্চে গত রবিবার বলেছেন,‘‘আমরা আছি তাই ভালো আছেন। নাহলে একটি কমিউনিটি যদি জোট বাঁধে এক সেকেন্ডে ঘিরে ফেলে বারোটা বাজিয়ে দেবে।’’ তাঁর এবারের ইঙ্গিত স্পষ্ট। মুসলমানরা সেই কমিউনিটি, যারা জোট বেঁধে ঘিরে ফেলে এক সেকেন্ডে বারোটা বাজিয়ে দেবে।

শুধু হিন্দু ভোটের কিছু অংশের জন্য মমতা ব্যানার্জির এই উদ্যোগ? শুধু দুর্বৃত্তদের কুৎসিত সাহস দেওয়ার জন্য? না। কোনটিই নয়। পশ্চিমবঙ্গে এক দীর্ঘস্থায়ী, গভীর সাম্প্রদায়িক বিভাজন চাইছে সঙ্ঘ, মমতা ব্যানার্জি। ভারত-বাংলাদেশ-নেপাল সীমান্তে, উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বারে একটি শক্ত পা-দানি চাইছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ। সংহতিতে অবিচল, ধর্মনিরপেক্ষ একটি সমাজ সেই ঘাঁটির পক্ষে অনুকূল নয়। বামপন্থীদের অবস্থান সেই চক্রান্তকারীদের কাছে আরও অনাকাঙ্ক্ষিত। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই আসলে বিজেপি’র মস্তিষ্ক সঙ্ঘের বিরুদ্ধেও লড়াই।

Comments :0

Login to leave a comment