দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ নির্বাচন, ২০২৬- এ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের তরফে এসএফআই ও এআইএসএ একসঙ্গে লড়াই করে। সভাপতি পদে এআইএসএ'র প্রার্থী অনন্যা ৫৩৭৭ টি ভোট পেয়েছেন, সহ-সভাপতি পদেও লড়াই করেছেন এআইএসএ'র প্রার্থী অক্ষত ২৩৮৩ টি ভোট পেয়েছেন। সম্পাদক ও সহ সম্পাদক পদে এসএফআই প্রার্থী স্ট্যানজিন ও পারিজাত যথাক্রমে ৮৭৩৪ এবং ৫৮৩৭ টি ভোট পেয়েছেন।
যদিও, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের নির্বাচনে এবিভিপি কেন্দ্রীয় প্যানেলের চারটি পদের মধ্যে তিনটিতে জয়লাভ করেছে। পাশাপাশি, নির্দল প্রার্থী দীপানশু শোকিন সহ-সভাপতি পদে জয়ী হয়েছেন।
সভাপতি পদের নির্বাচনে এবিভিপি-র যশ দাবাস ২,০৫৩ ভোটের ব্যবধানে এনএসইউআই-এর বিজয় শঙ্কর মিনাকে পরাজিত করে ২৪,৫৭৬টি ভোট পেয়েছেন। ৩০,৬১৫টি ভোট পেয়ে শোকিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী হয়েছেন। এনএসইউআই-এর টিকিট না পাওয়ায় তিনি নির্দল প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছিলেন।
যদিও, ভুয়ো ও জোরপূর্বক ভোটগ্রহণের অভিযোগ তুলে এনএসইউআই'র ডিইউএসইউ সভাপতি পদপ্রার্থী বিজয় শঙ্কর মিনা শনিবার জানিয়েছেন যে, তিনি এই বিষয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবেন।
এদিন মিনা বলেন, "আমরা পরাজিত হইনি, বরং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ছাত্রছাত্রী এই নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। আপনাদের অসামান্য সমর্থনের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভুয়ো ভোট দেওয়া হয়েছে, ছাত্রছাত্রীদের জোর করে ভোট দিতে বাধ্য করা হয়েছে এবং তাদের পরিচয়পত্র কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা বিষয়টি আদালতে নিয়ে যাব এবং এর জন্য লড়াই করব।"
শনিবার 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি)-র প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেছেন, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ নির্বাচনের ফলাফল থেকে স্পষ্ট যে অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীই "বর্তমান শাসকের বিপক্ষে, তবে তারা বিভক্ত হয়ে রয়েছে।
সিজেপি নেতা বলেছেন যে, আরএসএস-ঘনিষ্ঠ অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) জয় কোনও ভাবেই বিপুল ছিল না, বরং তা ভোট বিভাজনেরই ফল।
SFI-AISA garner impressive support in DU
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় : নজরকাড়া সমর্থন এসএফআই-এআইএসএ, নির্বাচনে তিন আসনে জয়ী এবিভিপি
×
Comments :0