Trump 'Hellhole' MEA

অভিবাসী বিদ্বেষে ট্রাম্পের ‘জঘন্য জায়গা’ গালাগালিতেও নীরব মোদী

আন্তর্জাতিক

অভিবাসী বলে আক্রমণ। সঙ্গে ‘জঘন্য জায়গা’ বলে ভারতকে একেবারে পরিষ্কার গালাগালি দিলেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপরও ট্রাম্পের সমালোচনার পথে হাঁটতে পারল না নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ মন্ত্রক।
সোশাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প আক্রমণ শানিয়েছেন তাঁর পছন্দের অভিবাসী বিদ্বেষের প্রচারে। সেই সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন চীন এবং ‘গ্রহের আরও কয়েকটি জঘন্য জায়গা’-কে।
ট্রাম্পের অভিবাসন বিরোধী ভাষণের সঙ্গে বহু মিল রয়েছে ভারতে বিজেপি’র অনুপ্রবেশকারী প্রচারের। বিশ্বের সর্বত্র উগ্র দক্ষিণপন্থী রাজনীতি কাউকে শত্রু চিহ্নিত করে বিদ্বেষ ছড়াতে এই প্রচারকেই ব্যবহার করছে।  
এদিকে দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশ্নের মুখে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেছেন, ‘‘এ সংক্রান্ত কয়েকটি প্রতিবেদন দেখেছি। বিষয়টি ওখানেই ছেড়ে দিচ্ছি।’’
ভারতকে বারবারই কড়া আক্রমণ করেছেন ট্রাম্প। কোনোবারই নরেন্দ্র মোদী সরকারকে পালটা কড়া জবাব দিতে দেখা যায়নি। বামপন্থী সহ বিরোধী একাধিক দল বলেছে যে আমেরিকার অনুগত সেবাদাসের ভূমিকা পালন করে চলেছে মোদী সরকার।
ট্রাম্প বিদ্বেষ ছড়ানোর কৌশলে বলেছেন, ‘‘আমেরিকায় এদের শিশু জন্মায়। সঙ্গে সঙ্গে নাগরিক হয়ে যায়। তারপর তাদের পরিবারকে ডেকে আনে চীন, ভারত এবং গ্রহের অন্য জঘন্য সব জায়গা থেকে। তার জন্য বেশি দূর যেতে হবে না। এখানে এখন ইংরেজিতে কথা বলা হয় না। এই অভিবাসী শ্রেণির আমেরিকার প্রতি কোনও দায়িত্বই নেই। বরাবর কিন্তু এমন ছিল না।’’ 
ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘ভারতীয় এবং চীনারা যাতে চালাতে পারে তার মতো সব ব্যবস্থা করা রয়েছে আমেরিকায়।’’
ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে চীনের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছেন। শুল্কযুদ্ধ থেকে মধ্য প্রাচ্যে আগ্রাসনের নীতি- সব ক্ষেত্রেই কড়া জবাব দিয়েছে চীন। অথছ ভারত কড়া অবস্থান তো দূর, নরেন্দ্র মোদী সরকার ব্যস্ত তোষামোদ করে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করতে। বৃহস্পতিবার যদিও দিল্লিতে আমেরিকার দূতাবাসের মুখপাত্র দাবি করেছেন যে ট্রাম্প নাকি ভারতকে ‘চমৎকার দেশ যার প্রধান একজন অত্যন্ত ভালো বন্ধু’ বলেছেন।

Comments :0

Login to leave a comment