জাতীয় এবং রাজ্যের সব ক্রীড়া ফেডারেশনে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের আইন আংশিকভাবে চালু করল ক্রীড়া মন্ত্রক। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে শুরু হচ্ছে প্রয়োগ।
গত বছরেই পাশ হয়েছে ‘জাতীয় ক্রীড়া প্রশাসন’ আইন। আইন অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকার তিন সদস্যের জাতীয় ক্রীড়া পর্ষদ বা ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস বোর্ড’ গঠন করবে। তার মধ্যে একজন থাকবেন চেয়ারপার্সন। এই কেন্দ্রীয় বোর্ডের অধীনে থাকবে জাতীয় স্তরে সব ক্রীড়া ফেডারেশন এবং বোর্ড।
এমনকি রাজ্যস্তরের ক্রীড়া প্রশাসনেও কার্যত নিয়ন্ত্রণ থাকবে তিন সদস্যের এই বোর্ডের। জাতীয় অলিম্পিক কমিটি, জাতীয় প্যারালিম্পিক কমিটি, সব জাতীয় ফেডারেশনের পাশাপাশি রাজ্যস্তরের ক্রীড়া সংস্থাও এই পর্ষদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। সংস্থাগুলির অনুমোদন চালু রাখা বা বাতিল করার অধিকার থাকবে পর্ষদের। আর্থিক লেনদেনেও হস্তক্ষেপ করার অধিকার থাকবে।
কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মান্ডবীয় প্রচারিত বার্তায় বলা হয়েছে যে আইনের পুরোপুরি চালু হতে সময় লাগবে। ফলে সব ক্রীড়া সংস্থা ২০২৬’র ডিসেম্বর পর্যন্ত পিছাতে পারে ভোট।
আইন অনুযায়ী সব ক্রীড়া সংস্থাকে ভোট করতে হবে জাতীয় ক্রীড়া নির্বাচন প্যানেলের তত্ত্বাবধানে। ক্রীড়া সংস্থাগুলিতে বিবাদের মীমাংসা করবে জাতীয় ক্রীড়া ট্রাইবুনাল। সব ক্রীড়া সংস্থাকে নির্বাচন করে সর্বোচ্চ ১৫ জনের কার্যকরী কমিটি গড়তে হবে। তবে তার মধ্যে ক্রীড়াবিদ ২জন থাকলেই চলবে!
জাতীয় স্তরের পর্ষদের সদস্যদের জন্য নামের সুপারিশ পাঠাবে সার্চ অ্যান্ড সিলেকশন কমিটি। তবে এই কমিটির গঠন চূড়ান্ত হয়নি।
National Sports Governance Act, 2025
সব ক্রীড়া সংস্থায় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের আইন আংশিকভাবে চালু
×
Comments :0