Trump Iran

ট্রাম্পের অবরোধের হুমকি, প্রতিরক্ষা বলয় তৈরির ঘোষণা ইরানের, বাড়ছে তেলের দাম

আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালি ঘিরে অবরোধ শুরু করার ঘোষণা করেছেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকার নৌবাহিনীর কাছাকাছি কোনও জাহাজ এলে উড়িবে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছেন। 
ট্রাম্পের এই ‘প্রতিশোধের পছন্দকে’ বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপিয়ে দেওয়া প্রতিশোধ আখ্যা দিয়েছে ইরান।
ইরানের বাহিনী আইআরজিসি স্পষ্ট করে বলেছে যে একাধিক বলয়ের প্রতিরক্ষা সজ্জা রয়েছে। ইরানের ভূগোল এমন যে এখানে আক্রমণ করতে ঢুকলে ফেরার সম্ভাবনা কম। 
যুদ্ধে নেমে ইরানের কাছে নাস্তানাবুদ হয়েছে আমেরিকা এবং ইজরায়েল। সংঘর্ষবিরতি চুক্তি করতে হয়েছে। তার ভিত্তিতে এক দফা আলোচনা হয়েছে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে। সেই আলোচনা ভেস্তে গিয়েছে। ইরানের বক্তব্য, তাদের নিজস্ব পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালিতে সার্বভৌম অধিকারকে কেড়ে নিতে চাইছে আমেরিকা। দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় স্পষ্ট করে নিজেদের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেনি। সে কারণে আলোচনা এগতে পারেনি। 
এর পর থেকে ট্রাম্প টানা হুমকি দিতে নেমেছেন ফের। সোমবার সন্ধ্যার পর তাঁর নিজস্ব সোশাল মিডিয়া ট্রুথ সোশালে বলেছেন যে ইরানের বিভিন্ন বন্দরের সামনেও থাকবে আমেরিকার যুদ্ধজাহাজ। চলবে অবরোধ। অবরোধ ভাঙতে কোনও জাহাজকে সামনাসামনি দেখা গেলে উড়িয়ে দেওয়া হবে।
ইরানকে একাধিকবার উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। আমেরিকা এবং বিশ্বের কাছে ‘প্রায় উড়িয়ে দেওয়ার দাবি’ জানিয়েছেন। এখন বলছেন ইরানের ১৫৮টি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসতে হয়েছে ট্রাম্পকেই। ফলে ট্রাম্পের আস্ফালনের বিশ্বাসযোগ্যতা বিশ্বে তো বটেই, আমেরিকার মধ্যেও কমেছে। 
ট্রাম্পের নতুন দফায় উত্তেজনা ছড়ানোর ভাষণে ফের বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর দাম খানিক নামলেও ফের ব্যারেলে একশো ডলার ছাড়িয়েছে। 
আমেরিকার নাম না করে উত্তেজান ছড়ানোর সমালোচনা করেছেন চীন। চীনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াই ই বলেছেন, ‘আমেরিকা-ইরান যুদ্ধবিরতি অত্যন্ত ভঙ্গুর প্রকৃতির। সেই যুদ্ধবিরতিকেই ভাঙার চেষ্টা হচ্ছে। সারা বিশ্বকে এক সুরে এমন চেষ্টার সমালোচনা করতে হবে।’

Comments :0

Login to leave a comment