সুখমনিয়া বাইয়ের বাড়ি ছত্তিশগড়ের সরগুজা জেলার মণিপটে। নব্বই বছরের শাশুড়িকে পিঠে নিয়ে ব্যাঙ্কে আসতে হয়েছে তাঁকে। না হলে শাশুড়ি ব্যাঙ্ক থেকে পেনশনের টাকা তুলতে পারবেন না।
জঙ্গলে ঢাকা ছত্তিশগড়ের এই এলাকায় পরিবহণের অবস্থা শোচনীয়। প্রায়ই এসব এলাকার বাসিন্দাদের পায়ে হেঁটেই পেরতে হয় দীর্ঘ পথ। সুখমনিয়া বাই শাশুড়িকে পিঠে নিয়ে পেরিয়েছেন প্রায় ৯ কিলোমিটার রাস্তা।
স্থানীয়েরা বলেছেন, হঠাৎ একবার নয়। এমন প্রায়ই হয়। সুখমনিয়া এর আগেও শাশুড়িকে নিয়ে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে গিয়েছে ব্যাঙ্কে। কারণ নিয়ম চালু হয়েছে যে উপভোক্তা নিজে না এলে দেওয়া হবে না পেনশনের টাকা।
একটি ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে যে সুখমনিয়াকে প্রশ্ন করতে তিনিও বলছেন যে সঙ্গে করে নিয়ে না গেলে টাকা তো মিলবে না। উপায় কী। যেতে তো হবেই, যেভাবেই হোক। তিনি বলছেন, আগে পেনশনের টাকা এলাকায় পাওয়া যেত। কিন্তু সেই ব্যবস্থা এখন তুলে দেওয়া হয়েছে।
সোশাল মিডিয়া এই ভিডিও পোস্ট হয়। বিভিন্ন জন প্রশ্ন তুলেছেন কেন কাছাকাছি অঞ্চলে দেওবা হবে না সামাজিক কল্যাণ খাতে বরাদ্দ অর্থ। বিশেষ করে সেসব অঞ্চলে যেখানে পরিবহণই প্রায় নেই।
Sukhmania Bai
পেনশনের টাকা তুলতে শাশুড়িকে পিঠে নিয়ে ৯ মাইল হাঁটলেন সুখমনিয়া
পথ হাঁটছেন সুখমনিয়া। পিঠে শাশুড়ি।
×
Comments :0