ভোট দিতে গিয়ে জানতে পারলেন পোস্টাল ব্যালটে তাদের ভোট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তারা আদৌ পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেননি। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরের ১ নম্বর ব্লকের জালালপুরে।
ধীরেন জানা দাসপুরের একটি এমএসকে এসএসকে স্কুলের শিক্ষক। তিনি এবং আরও কয়েকজন সরকারি কর্মচারি জালালপুরের ওই বুথে যান ভোট দিতে। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন যে তাদের নাম ভোট হয়ে গিয়েছে পোস্টাল ব্যালটে। তাদের অভিযোগ তাদের প্রথমে ট্রেনিংয়ে ডাকা হয়। তারপর আর ডাকা হয়নি। ওই বুথের বিএলও গোপাল চন্দ্র গুছাইৎ, তিনি নিজেও ভোট দিতে পারেননি। তিনি জানান, ‘মেসেজ দিয়ে জানানো হয়েছে আমাদের পোলিং ডিউটি দেওয়া হবে না। কিন্তু একবারও জানানো হয়নি যে পোস্টাল ব্যালটে আমাদের ভোট হবে। পোস্টাল ব্যালট আসেওনি।’ তিনি আরও বলেন, প্রিসাইডিং অফিসারকে জানানো হলে তিনি বিডিও অফিসে যোগাযোগ করতে বলেন। সেখানে যোগাযোগ করেও কোন সুরাহা হয়নি।
ধীরেন জানার কথায়, ভোট দিতে গিয়ে আমরা জানতে পারি আমাদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট। বিএলও’র কাছে যেই তালিকা আছে তার সাথে প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে যেই তালিকা রয়েছে তার কোন মিল নেই। প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে যেই তালিকা এসেছে সেখানে তাদের নামের পাশে লেখা রয়েছে ‘পোস্টাল ব্যালট’।
এই পরিস্থিতিতে ভোট দিতে না পারা সরকারি কর্মীরা যেমন বিডিও দপ্তরের দিকে আঙুল তুলছে তাদের কাজের গাফিলতির জন্য তেমন তাদের ভোট পড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও করছে।
Assembly election 2026
ভোট দিতে পারলেন না বিএলও, পোস্টাল ব্যালটে ভোট উল্লেখ থাকলেও ব্যালট আসেনি
×
Comments :0