Bengali SIR

আজব এসআইআর! প্রিসাইডিং অফিসারেরই নাম বাদ

জেলা

ছবি- অভীক ঘোষ।

প্রিসাইডিং অফিসার হিসাবে কাজ করেছেন ২০০৬ সাল থেকে। ২০২৬’র নির্বাচনেও প্রিসাইডিং অফিসার হিসাবে কাজ করার জন্য প্রশিক্ষণ নিয়েছেন দুবার। সেই সেখ জাহাঙ্গীর কবি মন্ডলের নাম বাদ গেছে এসআইআরে। কি করে বৈধ ভোটারদের ভোট নেবেন তিনি নিজে যখন একজন অবৈধ ভোটার। সে প্রশ্ন তুলছেন নাম বাদ পড়া প্রিসাইডিং অফিসার।
ধনিয়াখালি সোমসপুর স্কুলের ইংরেজি শিক্ষক সেখ জাহাঙ্গীর কবি মন্ডল। গুড়াপ মাজিনানের বাসিন্দা। তাঁর তিন ভাইয়ের নাম এসআইআরে রয়েছে। শুধু তাঁর নাম বাদ চলে গেছে। শিক্ষক জানান, ‘‘গত ২৭ মার্চ সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে তিনি জানতে পারেন তার নাম ডিলিট হয়ে গেছে। প্রত্যেক নির্বাচনে ডিউটি পরে তাঁর। প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে এবারেও কাজ করার জন্য দুবার প্রশিক্ষণ হয়ে গেছে।’’ বৃহস্পতিবার ট্রাইবুনালে আবেদন করতে চুঁচুড়ায় আসেন ওই শিক্ষক। তিনি বলেন, ‘‘১৯৫২ সালের বাবার নথি থেকে আমার সমস্ত কিছু নথি জমা দিয়েছি। তারপরও শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। আমার তিন ভাইয়ের নাম এসআইআর তালিকায় উঠলেও আমার নাম এডজুডিকেশনে চলে যায়। তারপরে সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে জানতে পারলাম নাম ডিলিট হয়ে গেছে।
নির্বাচন কমিশন নির্দিষ্ট করে বলছে না যে কোন কাগজটার জন্য নাম বাদ গেল। তাহলে সেই কাগজ দিয়ে দিতে পারতাম। ভোটের ডিউটির জন্য চিঠি এসেছে। দুবার প্রশিক্ষণও হয়ে গেছে। এখন আমি নিজেই অবৈধ ভোটার হয়ে গেছি বৈধ ভোটারদের ভোট নিতে পারবো কি? চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার পরেও তাঁকেই নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার জেরে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Comments :0

Login to leave a comment