দেশের মানুষের জীবিকা, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করতে হবে। ১২ ফেব্রয়ারি ধর্মঘটে ব্যাপকতম প্রতিরোধ দেখা যাবে। দেশের অন্তত ১ হাজার জায়গায় ব্যাপক সংখ্যায় জমায়েত হবে।
শুক্রবার সাংবাদিক বিবৃতিতে ধর্মঘটের প্রস্তুতি জানিয়ে একথা বলেছে সিআইটিইউ, সারা ভারত কৃষকসভা এবং সারা ভারত খেতমজুর ইউনিয়ন। সিআইটিইউ’র সাধারণ সম্পাদক এলামরাম করিম, সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক বিজু কৃষ্ণন এবং সারা ভারত খেতমজুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বি বেঙ্কট সই করেছেন।
উল্লেখ্য, দেশে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হলেও পশ্চিমবঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষা থাকায় হবে শিল্প ধর্মঘট।
কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন সমূহ, কর্মী ফেডারেশনের পাশাপাশি ধর্মঘট আহ্বান করেছে সংযুক্ত কিসান মোর্চা। সমস্ত স্তরে প্রস্তুতি তুঙ্গে তোলার ডাক দিয়েছেন শ্রমিক-কৃষক-খেতমজুর নেতৃবৃন্দ।
চার শ্রম কোড বাতিলের পাশাপাশি স্বামীনাথন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ফসলের দাম ঠিক করার দাবি জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, শ্রম কোড চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। জমায়েত হওয়ার থেকে ধর্মঘট, সব অধিকার কেড়ে নেওয়া হবে। বিপুল অংশের শ্রমিকদের দরকষাকষির অধিকার বলে আর কিছু থাকবে না।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একশো দিন কাজের আইন বাতিল করে ভিবি জি রাম জি চালু করার অর্থ গ্রামাঞ্চলে কাজের অধিকারকে খারিজ করা। সস্তা শ্রমের জোগান নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ। গ্রামাঞ্চলে বাড়বে সঙ্কট।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে অবাধ বাণিজ্য চুক্তিতে দেশের কৃষি, শিল্প এবং কাজের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। সংসদে কোনও আলোচনা ছাড়া অস্বচ্ছ কায়দায় এসব চুক্তি করা হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় বাজেট প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, কৃষি, গ্রামোন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তফসিলি জাতি, আদিবাসী, মহিলা, উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের জন্য বাজেট বরাদ্দ হয় বাড়েনি নয়তো একেবারে কমানো হয়েছে। সরকারি ক্ষেত্রকে শুষে বেসরকারিকরণের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। বৈষম্য এবং সঙ্কট আরও বাড়াবে এই বাজেট।
12 February Strike
দেশে ১ হাজার জমায়েত, ধর্মঘট হবে সর্বাত্মক: ঘোষণা যৌথ বিবৃতিতে
হিমাচল প্রদেশে ধর্মঘটে প্রচার।
×
Comments :0