শান্তনু ঝা
২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ভারত জুড়ে E20 পেট্রল (যাতে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানো হচ্ছে)—বাধ্যতামূলক হয়েছে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গডকরি এই কর্মসূচির পক্ষে মুখ্য সওয়ালকারী। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গেই সৃষ্টি হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক। একদিকে রয়েছে জ্বালানি নিরাপত্তা ও কার্বন নির্গমন কমানোর যুক্তি, অন্যদিকে গাড়ির মাইলেজ হ্রাস, ইঞ্জিনের ঝুঁকি, খাদ্য নিরাপত্তা সঙ্কট ও ব্যক্তিগত স্বার্থের অভিযোগ। এই বিতর্ক আজ শুধু নীতিগত নয়, প্রত্যক্ষভাবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকেও প্রভাবিত করছে।
নীতির পটভূমি
ভারত তার অপরিশোধিত তেলের ৮৫ শতাংশই আমদানি করে, যে খাতে তার বাৎসরিক ব্যয় হয় ১৩-১৫ লক্ষ কোটি টাকা। এই প্রেক্ষাপটে ইথানল মিশ্রণ ব্যবহার বৃদ্ধিকে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের কৌশল হিসাবেই দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, E20 ব্যবহার E10-এর তুলনায় কার্বন নির্গমন প্রায় ৩০ শতাংশ কমায়। ২০১৮ সালের ভারতের জাতীয় জৈব জ্বালানি নীতিতে ২০৩০ সালের মধ্যে E20 পেট্রল ব্যবহারের লক্ষ্য অর্জনের কথা ঘোষিত থাকলেও, ২০২৫ সালের এপ্রিলের মধ্যেই তা অর্জন করা হয়েছে।
কিন্তু ভারতের এই দ্রুত পদক্ষেপের বিপরীতে চীন অত্যন্ত সতর্ক। চীন ২০১৭ সালে E10 বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা করলেও, ২০২৫ সাল পর্যন্ত তাদের গড় মিশ্রণের হার মাত্র ২.১ শতাংশ, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় নগণ্য। ২০২৬ সালের জুলাই থেকে চীন তাদের E10-এর মান আপগ্রেড করলেও মিশ্রণের হার বাড়ায়নি। এই নীতি রূপায়ণকালে খাদ্য নিরাপত্তাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে চীন। তারা জানে যে খাদ্যশস্যকে জ্বালানি উৎপাদনে ব্যবহার করলে খাদ্যমূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। অন্যদিকে ব্রাজিল ২০২৫ সালের আগস্টে এই মিশ্রণ E30-এ উন্নীত করলেও সেখানে ইথানল উৎপাদনের কাঁচামাল কিন্তু আখ, যা সে দেশের প্রধান খাদ্য নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এখনও এই মিশ্রণ E10-এ সীমিত। তারা ইথানল উৎপাদনে ভুট্টা ব্যবহার হলেও,এটা মনে রাখা দরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য উদ্বৃত্তের চিত্র কিন্তু অন্য কোনও দেশের সঙ্গে তুলনীয় নয়।
ভোক্তা উদ্বেগ ও প্রযুক্তিগত বাস্তবতা
E20-র বিরুদ্ধে ভোক্তাদের প্রধান অভিযোগ—জ্বালানি দক্ষতা হ্রাস। গডকরি নিজেই সংসদে স্বীকার করেছেন, E20 ব্যবহারের ফলে, যানবাহনের ধরন ও বয়সভেদে গাড়ির মাইলেজ ২ থেকে ৬ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। কারণ ইথানলের শক্তি উৎপাদনী ক্ষমতা পেট্রলের তুলনায় কম। আর সমস্যা হলো, ভারতবর্ষে কেবলমাত্র এপ্রিল ২০২৩-এর পরে নির্মিত গাড়ি ও দ্বিচক্রযানই E20-উপযোগী। পুরানো প্রায় ২২ কোটি যানবাহনের মালিকদের জন্য ইঞ্জিনের রাবার পাইপ, গ্যাসকেট ও সিল দ্রুত ক্ষয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সবচেয়ে বড় অভিযোগ—E20 ছাড়া অন্য কোনও পেট্রল (E0) এখন কার্যত বাজারে নেই। বাজারে E20-র কোনও বিকল্প না থাকায় ভোক্তারা এই জ্বালানি ব্যবহারেই বাধ্য হচ্ছেন।
প্রভাব শ্রমজীবীদের ওপরও
E20-এর প্রভাব শুধু ধনী গাড়ির মালিকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি ভারতের লক্ষ লক্ষ দ্বিচক্রযান চালক, ডেলিভারি পার্টনার ও গিগ ওয়ার্কারদের প্রত্যক্ষ আয়কেও আঘাত করছে। এঁদের কাছে মোটরবাইক শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, রোজগারের হাতিয়ার। LocalCircles-এর সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০২২ বা তার আগে কেনা যানবাহনের মালিকদের ৮০ শতাংশই তাঁদের গাড়ির মাইলেজ E20 ব্যবহারের ফলে কমেছে বলে জানিয়েছেন। একজন জোম্যাটো বা সুইগি ডেলিভারি পার্টনার গড়ে প্রতিদিন ১০০-১৫০ কিলোমিটার পথ চলেন। E20-তে মাত্র ৩-৪ শতাংশ মাইলেজ কমলেও মাসিক জ্বালানি খরচ বাড়ে ৪০০-৫০০ টাকা। যা বছরে গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় ৫,৫০০ টাকায়—এটা ঘটে শুধু জ্বালানির খরচ বৃদ্ধি থেকেই। পাশাপাশি, পুরানো ইঞ্জিনের বাড়তি রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বছরে আরও ৫০০ থেকে ২,৫০০ টাকা। LocalCircles-এর তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে , ৫২ শতাংশ পুরানো যানবাহনের মালিক ইতিমধ্যেই ৫,০০০ টাকার বেশি অতিরিক্ত খরচ করে ফেলেছেন। যেখানে একটি ১৫ বছর পুরানো দ্বিচক্রযানের বাজারমূল্য মাত্র ১০,০০০-১৫,০০০ টাকা, সেখানে অতিরিক্ত ৫,০০০-১০,০০০ টাকা খরচ এই শ্রমজীবী পরিবারের কাছে আর্থিক দিক থেকে বিপর্যয়কর।
গডকরি-কেজরিওয়াল দ্বন্দ্ব
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট E20-বিরোধী জনস্বার্থ মামলা খারিজ করার পর গডকরি সরাসরি বলেন, সোশাল মিডিয়ায় E20-বিরোধী প্রচার একটি ‘পেইড ক্যাম্পেইন’, যার পেছনে রয়েছে পেট্রল লবি, যারা ইথানল মিশ্রণে নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হতে দেখছে। এর কিছুদিন পরেই অভিযোগ ওঠে যে গডকরি ও তাঁর ছেলেরা ইথানল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, যা থেকে তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে বিপুল আর্থিক লাভ করছেন। গডকরি এই অভিযোগ খারিজ করে বলেন, ইথানল তাঁর ছেলেদের ব্যবসার একটি ‘ছোট অংশ’, কিন্তু তা সত্ত্বেও এই প্রচার অভিযান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই বিতর্ক যখন চরমে ওঠে এবং এআই-জেনারেটেড ডিপফেক ভিডিওয় তাঁকে E20-এর ‘চালিকাশক্তি’ হিসাবে চিত্রিত করা হয়, তখন তিনি বোম্বে হাইকোর্টে ১১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করেন।
অন্যদিকে, আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল গাড়ি নির্মাতাদের ম্যানুয়াল উদ্ধৃত করে দাবি করেন যে অধিকাংশ কোম্পানি ১০ শতাংশের বেশি ইথানল ব্যবহার সমর্থন করে না। এই বিতর্ক শুধু নীতিগত নয়, প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের রূপ নিয়েছে।
খাদ্য বনাম জ্বালানি
বিতর্কের সবচেয়ে জটিল দিক হলো খাদ্য নিরাপত্তা কেন্দ্রিক প্রশ্নগুলি। ফুড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া (FCI) চাল সংগ্রহ করে ৪৪ টাকা/কেজি দরে, কিন্তু ইথানল কারখানাগুলোকে তা দেওয়া হচ্ছে ২৩ টাকা/কেজি দরে—অর্থাৎ প্রায় ৪৮ শতাংশ ছাড়ে, যা খাদ্য ভরতুকির টাকায় জ্বালানি ভরতুকি দেওয়ার শামিল। ২০২৬ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা স্পষ্টতই সতর্ক করে বলেছে, ‘এটি শক্তিতে আত্মনির্ভরতা ও খাদ্যে আত্মনির্ভরতার মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্ব’ হিসাবে হাজির হচ্ছে। ২০০৭ সালে জৈব জ্বালানির হিসাবে খাদ্য শস্য ব্যবহারের কারণে বিশ্বব্যাপী তার দাম আকাশচুম্বী হয়েছিল, যা বহু দেশে দাঙ্গার পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল। এই অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ওপর ক্রমাগত চাপ প্রয়োগ করছে। ২০২৫ সালের জুলাই-আগস্টে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে, কারণ ভারত ভুট্টা, গম ও সয়াবিনের বাজার তাদের কাছে খুলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। একই সময়ে মার্কিন ট্রেজারি রসনেফ্ট ও লুকোয়েল-কে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে কারণ এদের রাশিয়ান তেল রপ্তানির ৬০ শতাংশই তারা সরবরাহ করত ভারতে। ফলে ভারতের রাশিয়ান অপরিশোধিত তেল আমদানি ১৭.৮ শতাংশ কমে যায়, অন্যদিকে বেশি দামি মার্কিন তেল আমদানি ৮৩.৩ শতাংশ বাড়ে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য কাঠামোর প্রস্তাবনায় ভারত ৫ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি কেনার প্রতিশ্রুতি দেয়—যা স্পষ্টতই মার্কিন চাপের ফল। এই চাপের মাঝে ভারত যখন রুশ তেলের ওপর নির্ভরতা কমাতে বাধ্য হচ্ছে, তখন E20-এর মতো অভ্যন্তরীণ উদ্যোগকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা ভূ-রাজনৈতিক দুর্বলতারই প্রতিফলন।
অটোমোবাইল কর্পোরেটের দ্বৈত অবস্থান
অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রি সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়েও E20 ব্যবহারে পুরানো যানবাহনের ঝুঁকি স্বীকার করছে। ২০২৫ সালের ৩০ আগস্ট SIAM, FIPI ও ARAI যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বলে, E20-তে এখনও পর্যন্ত কোনো গাড়ি ‘ব্রেকডাউন’ হয়নি এবং E20 ব্যবহারকরী গাড়িগুলির নির্মাতাদের ওয়ারেন্টি ও যথারীতি বহাল থাকছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অটোমোবাইল নির্মাতা কোম্পানিগুলি আলাদা আলাদাভাবে যে মতামত প্রকাশ করেছে তা নিম্নরূপ
• হোন্ডা জানিয়েছে, এপ্রিল ২০২৫ থেকে সব মডেল E20-রেডি, তবে পুরানো মডেলগুলিতে E20 ব্যবহারের ফলে ‘পারফরম্যান্সে কিছু প্রভাব’ পড়তে পারে।
• মাহিন্দ্রা প্রথম নির্মাতা হিসাবে, স্বতন্ত্র পরামর্শ জারি করে বলে, এপ্রিল ২০২৫-এর আগে তৈরি যানবাহনে E20 ব্যবহারের ফলে ‘জ্বালানি দক্ষতায় সামান্য তারতম্য’ হতে পারে।
• রেনো প্রথমে পুরানো মডেলে E20 ব্যবহার ‘উচিত নয়’ জানালেও পরে ARAI-র পরীক্ষার ভিত্তিতে অবস্থান বদলায়।
• রয়্যাল এনফিল্ড একমাত্র সংস্থা, যারা পুরানো মোটরবাইকের জন্য রেট্রো-ফিট কিট তৈরি করছে (মূল্য ৪,০০০-৬,০০০ টাকা), যাতে ইথানল-সামঞ্জস্যপূর্ণ ফুয়েল লাইন ও সিল থাকে। অথচ এই অর্থ একজন সাধারণ গিগ ওয়ার্কারের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।E20 ব্যবহারের প্রশ্নে শিল্পপতিদের এই দ্বৈত অবস্থান—একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে সতর্কীকরণ—সাধারণ মানুষকে আরও সংশয়ে ফেলেছে।
চীনের গবেষণা বনাম ভারতের অবহেলা
ভারত যখন ইথানলের মতো ‘ট্রানজিশনাল’ প্রযুক্তিতে আটকে রয়েছে, চীন তখন লিথিয়াম-নির্ভর ব্যাটারি, সোলার এনার্জি, গ্রিন হাইড্রোজেন ও নিউক্লিয়ার শক্তিতে ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। ২০২৫ সালে চীনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ হয়েছে ২.৮ লক্ষ কোটি রেনমিনবি (প্রায় ৩৯০ বিলিয়ন ডলার)। চীনের সোলার প্যানেল উৎপাদন ক্ষমতা বিশ্বের ৮০ শতাংশ; গ্রিন হাইড্রোজেন ইলেক্ট্রোলাইজারের ইনস্টলড ক্ষমতা ২০২৪-এর তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে এবং ছোট মডিউলার নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর নির্মাণও বাণিজ্যিক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। অন্যদিকে, ভারত এখনও জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানি কমাতে পুরানো পন্থায় হাঁটছে, যা খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তা স্বার্থ—উভয়কেই সঙ্কটে ফেলছে। গবেষণায় বিনিয়োগের অভাবে ও কাঠামো নির্মাণে অবহেলার কারণে ভারতকে আজ খেসারত দিতে হচ্ছে।
E20 বিতর্ক তাই শুধু আজ প্রযুক্তি বা পরিবেশের প্রশ্ন নয়—এটি সামাজিক ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও শিল্প-স্বচ্ছতার প্রশ্ন। যতদিন না সাধারণ মানুষ ও গিগ ওয়ার্কারদের মতো নব প্রজন্মের ক্রমবর্ধমান শ্রমজীবীদের জন্য E10-এর বিকল্প রাখা, পুরানো যানবাহন আপগ্রেডের জন্য ভরতুকি, বা খাদ্য ভরতুকির টাকায় জ্বালানি উৎপাদনে ভরতুকি বন্ধের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, ততদিন এই বিতর্ক অমীমাংসিতই থাকবে। ভারতকে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে হবে—যেখানে ইথানল শুধু একটি অস্থায়ী সমাধান হিসাবে দেখা হবে এবং মূল লক্ষ্য হবে লিথিয়াম-নির্ভর ব্যাটারি, সৌর-বায়ু শক্তি, গ্রিন হাইড্রোজেন ও নিউক্লিয়ার শক্তিতে বিনিয়োগ। বিতর্কের মূল প্রশ্ন তাই ‘ইথানল নীতি গ্রহণ করা হোক বা না হোক’ নয়, বরং কোন পথে এটি বাস্তবায়িত হবে সেটা বিবেচনা করতে হবে। তা করতে হবে এমন একটি পথে যেখানে শক্তি নিরাপত্তা, খাদ্য নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা, ভোক্তা স্বার্থ এবং রাজনৈতিক স্বচ্ছতা—সবকিছুই সুরক্ষিত থাকে।
Highlights
গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্নও। ফুড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া চাল সংগ্রহ করে যে দামে ইথানল কারখানাগুলোকে তা দেওয়া হচ্ছে প্রায় ৪৮ শতাংশ ছাড়ে, যা খাদ্য ভরতুকির টাকায় জ্বালানি ভরতুকি দেওয়া। জৈব জ্বালানি হিসাবে খাদ্যশস্য ব্যবহারের বহু দেশে তার দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। এর থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন।
Comments :0