বিজেপি’র দুষ্কৃতীবাহিনীর হামলায় তছনছ হয়ে থাকা এরিয়া কমিটি দপ্তর ঘুরে দেখলেন সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সিপিআই(এম) ত্রিপুরা রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র ভৌধুরী সহ নেতৃবৃন্দ। ছিলেন সংশ্লিষ্ট এরিয়া কমিটির সম্পাদক আইনজীবী নীলাঞ্জনা রায়।
সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নে বেবি বলেছেন, দেশে এবং এ রাজ্যের সরকারের বিজেপি। বলেছিল ‘ডবল ইঞ্জিন’-র সুবিধা হবে। গত কয়েক বছরে দেখা গিয়েছে বিজেপি মানে ‘ট্রাবল ইঞ্জিন’। তিনি বলেন, ওরা কেবল পার্টি দপ্তর ভাঙতে আসেনি। ওরা চেয়েছিল পার্টি কর্মীদের মারাত্মক আঘাত করতে। কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এদিন আহত পার্টিকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন বেবি। তিনি বলেন, সর্বত্র ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালাচ্ছে বিজেপি এবং তার সাগরেদরা। এরা গণতন্ত্র মানে না। ধর্মনিরপেক্ষতা মানে না, জনতার নিরপাত্তাকে অগ্রাহ্য করে। সর্বত্র ‘ট্রাবল’ তৈরি করে।
জিতেন চৌধুরী বলেছেন, ভয়াবহ তাণ্ডবের সময় পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা নিয়েছে। তারপরও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। কাউনকে গ্রেপ্তার করেনি। এরা স্বাধীনতা দিবসে রক্তদান শিবির করতেও বাধা দেয়। রাজনৈতিক দলের দপ্তর কেবল ভাঙচুর করে না, আগুনও ধরিয়ে দেয়।
বেবি বলেছেন, বিজেপি এমন শক্তি যা কোনও অংশকে ‘টার্গেট’ করে হামলা চালায়। কেবল মুসলিম না। এদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু দলিত এবং আদিবাসীরাও। আরেকদিকে আক্রমণ চালায় মানুষের জীবিকার ওপর। ত্রিপুরায় এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা বিদ্যুতের বিল। ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বিদ্যুতের বিল। গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ হলেই আক্রমণ চালায়।
M A Baby in Tripura
তছনছ সিপিআই(এম) দপ্তর, বিজেপি-র শাসন মানে ‘ট্রাবল ইঞ্জিন’, ত্রিপুরায় বললেন বেবি
সিপিআই(এম) যোগেন্দ্রনগর দপ্তরে এমএ বেবি, জিতেন্দ্র চৌধুরী।
×
Comments :0