Panihati CPI(M) Office Vandalised

পানিহাটিতে দপ্তর ভাঙচুর বিজেপি’র, প্রতিরোধে নেমে আক্রান্ত সিপিআই(এম) কর্মীরা

জেলা

পানিহাটিতে সিপিআই(এম) দপ্তরে বিজেপি’র হামলা। ছবি: অভিজিৎ বসু

আগের রাতেই হামলা হয়েছে সিপিআই(এম) এবং আরসিপি দপ্তরে। পরদিন সকালে প্রতিবাদ মিছিলের মধ্যেই খবর হলো ফের হামলা হয়েছে। ফের প্রতিরোধ করে আক্রান্ত হলে একাধিক সিপিআই(এম) কর্মী। তাঁদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেও হাজির বিজেপি’র দুষ্কৃতী বাহিনী।
উন্মত্ত সন্ত্রাসের এই ঘটনাক্রম পানিহাটির। মঙ্গলবার গভীর রাতের পর, বুধবারও হামলা চালালো বিজেপি’র দুষ্কৃতীবাহিনী। মঙ্গলবার গভীর রাতে সিপিআই(এম) পানিহাটি দুই নম্বর এরিয়া কমিটির আগরপাড়া বটতলা চালবাজারের দপ্তর ভাঙচুর করা হয়। 
আরএসপি’র দপ্তরেও মঙ্গলবার রাতে ভাঙচুর চালায় বিজেপি’র দুষ্কৃতীরা। 
বুধবার, ২৬ আগস্ট, প্রতিবাদ মিছিল করে সিপিআই(এম) এবং আরএসপি। এদিন সকালে হয় প্রতিবাদ ও ধিক্কার মিছিল। তাণ্ডব চালানো হয়েছে যে দপ্তরে তার সামনে পোস্টার লাগানো হয়।  এরপর এদিন দুপুরে বিজেপি’র দুষ্কৃতীবাহিনী ফের হামলা চালায়।  গুরুতর আক্রান্ত হন ৬-৭ জন বাম কর্মী। 
সিপিআই(এম) কর্মী গণেশ সোম গতকালই কেমো নিয়ে এসেছেন। তাঁর ওপরও আক্রমণ চালায় বিজেপি’র বাহিনী। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন তীর্থঙ্কর দত্ত। আক্রান্তদের বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন পূরবী সরকার, স্মৃতিকণা দে, শিল্পী চক্রবর্তী, ঈপ্সিতা দে, সঙ্গীতা রায় বিশ্বাস। তাঁরাও আক্রান্ত হন।

পানিহাটিতে আক্রান্ত মহিলারা।

আক্রান্তদের নিয়ে যাওয়া হয় পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। আবার বিজেপি’র বাহিনী হাসপাতাল ঘিরে ফেলে। সেখান থেকে সিপিআই(এম) কর্মীরা প্রাথমিক চিকিৎসা করে বাড়িতে চলে যান। এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে।
বিজেপি’র হামলায় সিপিআই(এম) দপ্তরের জানালার কাচ ভাঙা হয়েছে। ভাঙা হয় দরজাও। ঘোলা থানায় এফআইআর করে পুরো বিষয়টি জানিয়েছেন সিপিআই(এম) নেতৃবৃন্দ। 
ঘটনার জেরে এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

Comments :0

Login to leave a comment