Protest Jadavpur

যাদবপুরে সিপিআই(এম) দপ্তরে হামলার প্রতিবাদে শামিল এলাকাবাসী

কলকাতা

যাদবপুরের কুসমকানন অঞ্চলে সিপিআই(এম)’র ডাকে প্রতিবাদ সভা।

রাতের অন্ধকারে হামলা চালিয়েছিল বিজেপি’র দুষ্কৃতী বাহিনী। পরদিন, রবিবারই, স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে যাদবপুরের কুসুমকাননে মিছিল করল সিপিআই(এম)। হয়েছে প্রতিবাদ সভাও।
গতকাল, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, বিজেপি’র দুষ্কৃতীবাহিনী যাদবপুরের একাধিক সিপিআই(এম) দপ্তরে ভাঙচুর চালায়। কলকাতার ১০১ ওয়ার্ডের কুসুমকানন ছাড়াও ৯৬ নম্বর ওয়ার্ডে আনন্দপল্লী অঞ্চলে ভাঙা হয় শহীদ বেদী। শনিবার রাতেই হয় এক দফা প্রতিবাদ।
আগামী মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, আনন্দপল্লীতেও নবরূপে গড়ে তোলা শহীদ বেদীর উদ্বেধন হবে। হবে সভাও। 
রবিবার সন্ধ্যায় কুসুমকাননে সিপিআই(এম) দপ্তর সংলগ্ন এলাকায় হয় মিছিল। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন বামপন্থী নেতৃবৃন্দ। বক্তব্য রাখেন মধ্য যাদবপুর আঞ্চলিক কমিটির সম্পাদক বুদ্ধদেব ঘোষ। 
এলাকাবাসীকে সিপিআই(এম) নেতৃবৃন্দ বলেছেন, গত নির্বাচনে রাজ্যের পরিস্থিতি বদলানোর প্রত্যাশা নিয়ে অনেকে ভোট দিয়েছিলেন বিজেপি-কে। কিন্তু সরকারে বিজেপি আসীন হওয়ার তিন মাসের মধ্যে বোঝা যাচ্ছে অত্যন্ত খারাপ পরিস্থিতির মুখে রাজ্য। মানুষের জীবনজীবিকার ওপর আক্রমণ হচ্ছে। আক্রমণ হচ্ছে গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দল আক্রমণের মুখে পড়ছে। বামপন্থীরাই প্রতিরোধে সামনের সারিতে। জনতার দাবি নিয়ে সোচ্চার বামপন্থীরাই। সে কারণে সিপিআই(এম)’র দপ্তরে হামলা চলছে। বিজেপি’র দুষ্কৃতীবাহিনী হামলা করেছে জলপাইগুড়ি থেকে চন্দ্রকোনা, গড়বেতা, গোঘাট, সোনারপুর, যাদবপুরে। 
সিপিআই(এম) নেতৃবৃন্দ স্থানীয়দের আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্যায়ের প্রতিবাদে এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিবাদে নামতে হবে সম্মিলিতভাবে।
বাঘাযতীন জি-ব্লক কুসুমকানন এলাকার বাসিন্দারা মিছিলে যোগ দেন। বড় সংখ্যায় ছিলেন মহিলারা।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ছিলেন প্রবীণ সিপিআই(এম) নেতা খোকন ঘোষ দস্তিদার, সিপিআই(এম) নেত্রী চন্দনা ঘোষ দস্তিদার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা কমিটি সদস্য কানাই দেব সহ নেতৃবৃন্দ।

Comments :0

Login to leave a comment