Tea Gardens Workers

বাগান বাঁচাতে বাঁধের দাবিতে আন্দোলনে চা শ্রমিকেরা

জেলা

ফাইল ছবি

কালচিনি ব্লকের সুভাষিণী চা বাগানের জমি গিলছে তোর্ষা নদী। ভাঙন রুখতে চাই নদী বাঁধ। তৃণমূল এত বছরেও নদী ভাঙন ঠেকাতে কোন ব্যবস্থা নেয় নি। ঘুমিয়ে সেচ দপ্তর। বাগান বাঁচাতে বাঁধের দাবিতে আন্দোলনে চা শ্রমিকেরা।
বর্ষা এখনও পুরোপুরি নামে নি। তাতেই খরস্রোতা তোর্ষা রুদ্ররুপ ধারণ করেছে। প্রতিদিন তলিয়ে যাচ্ছে বাগানের চা-গাছ। নদী ঢুকে যাচ্ছে বাগানের ভেতরে। নদী এগিয়ে আসছে শ্রমিক মহল্লা আউট ডিভিশনের দিকে। দুশ্চিন্তা বাড়ছে বাগান কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের মধ্যে।
গত বছরের ৫ অক্টোবরের ভয়াবহ বন্যায় তোর্ষার বাঁধ ভেঙেছিল। আর নদীর জলে প্লাবিত হয় বাগান। এর ফলে বাগানের প্রায় ৯২ হেক্টর জমির চা-গাছ পলির নিচে চাপা পড়ে যায়। তোর্ষার জল গ্রানাইট মিশ্রিত হওয়ায় শুধু চা গাছ নষ্ট হয় নি। ওই জমিতে আর নতুন করে চা গাছ হবে না।
বাগান শ্রমিকদের বক্তব্য বন্যা কেটে যেতেই এসেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী। এসেছে একাধিক সরকারি প্রতিনিধি দল। লাভ কিছু হয় নি। স্থায়ী বাঁধের বদলে অস্থায়ী বাঁধ করেছিল সেচ দপ্তর। সে বাঁধ ইতিমধ্যে জলের তলায় চলে গেছে।
বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমতায় বসে বন্যা প্রতিরোধে বৈঠক সেরেছেন। কিন্তু বরাদ্দ আসে নি তোর্ষার নদী বাঁধের জন্য। অথচ এই বাগানের ১২০০ শ্রমিক আর তাদের পরিবার বাগান ভাঙনের কবলে চলে গেলে রুটি-রুজি হারাতে হবে।
হতাশ বাগানের শ্রমিক সাইনারি ওরাওঁ। তাঁর কথায়,"বন্যার পর কত আশ্বাস দিলেন সবাই। কিন্তু বাঁধ আর হল কোথায়? এবারে বুঝি ঘরবাড়ি সব ভেসে যাবে তোর্ষার জলে।
বাগানের ম্যানেজার শীর্ষেন্দু বিশ্বাস বলেন, 'সেচ দপ্তর থেকে প্রশাসনের সব দপ্তরের কাছেই বাঁধের জন্য আবেদন নিবেদন করেছি। কথা বলেছি সাংসদ আর জনপ্রতিনিধিদের সাথেও। তবুও কোন পদক্ষেপ হয় নি।বর্ষা পুরোপুরি নেমে গেলে কি হবে জানি না।"

Comments :0

Login to leave a comment