Cooch Behar CPI(M)

কোচবিহার সিপিআই(এম) দপ্তরে ভাঙচুর, মোকাবিলা করে কর্মসূচি সিপিআই(এম)-র

জেলা

পুনরায় পতাকা উত্তোলন করা হচ্ছে, কোচবিহার বড়রাংরস গ্রাম পঞ্চায়েতের পার্টি দপ্তরে। ছবি - অমিত কুমার দেব।

বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে ক্ষতিগ্রস্ত সিপিআই(এম) পার্টি দপ্তরে পুনরায় রাজনৈতিক কাজকর্ম শুরুর উদ্যোগ করলেন সিপিআই(এম) নেতা কর্মীরা। পুনরায় পার্টি দপ্তর উত্তোলন করা হলো রক্ত পতাকা। যে কোনও রাজনৈতিক আক্রমণের মোকাবিলা করার শপথ নিলেন পার্টি কর্মীরা। রবিবার এই প্রত্যয়ের ছবি দেখলো কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বড়রাংরস গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা।
৪মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরই কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বড়রাংরস গ্রাম পঞ্চায়েতের বাউদিয়াডাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত সিপিআই(এম) দপ্তরের ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই পার্টি দপ্তরের বিভিন্ন আসবাব পত্রের পাশাপাশি ভাঙচুর চালানো হয় পাটি দপ্তরে।
 রবিবার এই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ছুটে যান সিপিআই(এম) কোচবিহার জেলা সম্পাদক অনন্ত রায় সহ পার্টি নেতা ধনেশ্বর রায়, সফিজ আহমেদ, সফিয়ার রহমান সহ নেতৃবৃন্দ। তাদের উপস্থিতিতেই শুরু হলো ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নতুন পথচলা।
  প্রায় ৮এর দশকের প্রথম থেকেই ভরসা স্থল হয়ে উঠেছিল এই পার্টি দপ্তর। ২০১১ সালে রাজ্যের তৃণমূল সরকার গঠনের পরই এই পার্টি দপ্তরটি দখল করে তৃণমূলী দুষ্কৃতীরা। পরবর্তীতে এই দপ্তরটি পুনরুদ্ধার করা হলেও ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের পরও আবারও এই দপ্তরের দখল নেয় তৃণমূলীরা। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর আবারও দপ্তরটি পুনরুদ্ধার করে সিপিআই(এম)। এই দপ্তর থেকেই সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পার্টি পরিচালিত হতো। তাই বিজেপিরও আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল এই দপ্তরটি। বিধানসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশ হবার পরই সোমবার রাতে এই দপ্তরে ঢুকে ব্যাপক ভাবে ভাঙচুর চালায় বিজেপি দুষ্কৃতীরা। নামিয়ে ফেলা হয় দপ্তরের থাকা পার্টির পতাকা। অবশেষে এদিন পুনরুদ্ধার হয় এই দপ্তরটি।
এদিন সিপিআই(এম) কোচবিহার জেলা সম্পাদক জেলা সম্পাদক অনন্ত রায় বলেন, "পার্টি অফিসে রাতের অন্ধকারে ভাঙচুর করা হলেও, দপ্তরটি দখল করার সাহস পায়নি বিজেপি দুষ্কৃতীরা। তাই পুনরায় এই পার্টি অফিস থেকে সাংগঠনিক কাজকর্ম পরিচালনা করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এদিন। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সমস্ত রাজনৈতিক আক্রমণ প্রতিহত করে এভাবেই আগামীর পথ চলবে লাল ঝান্ডা।"

 

Comments :0

Login to leave a comment