সৌদি আরবের ইয়ানবুতে এই সময়ে সবচেয়ে চালু তেল পরিশোধনাগারে হামলা হয়েছে। অনুমান সৌদি আরবের এই ‘আরামকো’-র এই পরিকাঠামোয় হামলার পিছনে রয়েছে ইরান।
কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সেও ক্ষেপণাস্ত্র হানা হয়েছে। কারখানাটি জ্বলতে দেখা গিয়েছে। জ্বালানি গ্যাস সরবরাহে এই পরিকাঠামো বিশ্বে অন্যতম বড়।
ইজরায়েলের সংবাদমাধ্যমেও এই হামলার খবর দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ইরান পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার সঙ্গী দেশগুলিতে সতর্ক করেছে। জানানো হয়েছে যে আমেরিকার সঙ্গে যোগ রয়েছে এমন কোনও পরিকাঠামো নিরাপদ নয়।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর আমেরিকা-ইজরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ বৃহস্পতিবার পড়েছে কুড়ি দিনে।
সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রধান জলপথ হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ। পশ্চিম এশিয়ার বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে যে ইরান জরুরি পরিস্থিতিতে শুল্ক নেওয়ার বিনিময়ে জাহাজ ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা করছে।
তবে হরমুজ প্রণালির বন্ধ থাকার পর্বে সৌদি আরবের ইয়ানবুতে আরামকো-র এই পরিশোধনাগার থেকে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় তেল রপ্তানি হচ্ছে। এক্সন মোবিলের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে সৌদির আরামকো এই চালায় এই পরিশোধনাগার। সৌদি যদিও দাবি করেছে যে আঘাতের অভিঘাত খুব বড় নয়। তবে একাধিক দেশই নিজের নিজের এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে। সৌদি আরবের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, কাতার রয়েছে এই তালিকায়।
এদিকে আমেরিকা-ইজরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের জেরে সারা বিশ্বে তেলের সঙ্কট তীব্র হচ্ছে। ব্রিটেনের তেলের দাম ১৪০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৩’র জানুয়ারির পর এত দাম বাড়েনি তেলের।
Iran's Counterattack
সৌদির তেল পরিশোধনাগার, কাতারে গ্যাস কেন্দ্রে হামলা, জ্বালানি দুর্ভোগ
মধ্য ইজরায়েলে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার ছবি।
×
Comments :0